রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে নুরাল পাগলের মাজারে হামলা, অগ্নিসংযোগ, কবর থেকে লাশ উত্তোলন করে পুড়িয়ে দেওয়া এবং পুলিশের ওপর হামলা ও গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলায় পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) ও গোয়ালন্দ ঘাট থানা পুলিশ।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন— উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক ও উজানচর ইউনিয়নের বালিয়াডাঙ্গা এলাকার মো. লাল মিয়া মৃধার ছেলে মো. হিরু মৃধা (৪০), পৌর শহরের দেওয়ানপাড়ার আবজাল সরদারের ছেলে শাফিন সরদার (১৯), জহির উদ্দিনের ছেলে এনামুল হক জনি (৩২), কাজীপাড়ার আরিফ কাজীর ছেলে অপু কাজী (২৫) এবং দক্ষিণ উজানচর দিরাজতুল্লা মৃধাপাড়ার মৃত আক্কাছ মৃধার ছেলে মাসুদ মৃধা (২৯)।
উল্লেখ্য, গত শুক্রবার (৫ সেপ্টেম্বর) জুমার নামাজের পর গোয়ালন্দ পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের জুড়ান মোল্লাপাড়ায় নুরাল পাগলের দরবার শরীফে হামলার ঘটনা ঘটে।
জুমার নামাজ শেষে বিক্ষোভ মিছিল থেকে তৌহিদী জনতা দরবার শরীফে হামলা চালায়। পাল্টা আক্রমণ চালান নুরাল পাগলের ভক্তরা। এতে সংঘর্ষে একজন নিহত ও অন্তত অর্ধশত মানুষ আহত হন।
পরে দরবার শরীফে অগ্নিসংযোগ করা হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকা পুলিশের ওপরও হামলা চালানো হয় এবং ভাঙচুর করা হয় পুলিশের গাড়ি।
এ ঘটনায় শুক্রবার রাতেই গোয়ালন্দ ঘাট থানার এসআই সেলিম মোল্লা বাদী হয়ে অজ্ঞাত সাড়ে তিন হাজার জনকে আসামি করে মামলা করেন।
গোয়ালন্দ ঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ রাকিবুল ইসলাম বলেন, হামলার ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলার আসামিদের ধরতে যৌথ ভাবে অভিযান চলছে।
তিনি আরও জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ, র্যাব ও সেনাবাহিনী মাঠে রয়েছে। বর্তমানে দরবার শরীফ এলাকায় সাধারণ মানুষের প্রবেশ বন্ধ রাখা হয়েছে। তবে আইনশৃঙ্খলা।
ইএইচ
আমার সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন