নাগেশ্বরীতে শিশুকে বলাৎকারের পর হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার ৪

নাগেশ্বরী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ৭, ২০২৫, ০৪:০৫ পিএম
নাগেশ্বরীতে শিশুকে বলাৎকারের পর হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার ৪

নাগেশ্বরীতে ল্যাট্রিনের সেপটি ট্যাংকি থেকে ৮ বছর বয়সী শিশুর লাশ উদ্ধারের ঘটনায় ৪ জনকে গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ। তবে এখনো পলাতক রয়েছে মামলার মূল আসামি মমিনুল ইসলাম।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন— মমিনুলের মা মহসেনা বেগম, বোন ফাহিমা খাতুন, প্রতিবেশী নজরুল ইসলাম ও তার স্ত্রী মনজু বেগম।

ঘটনাটি ঘটে উপজেলার বামনডাঙ্গা ইউনিয়নের সীট মালিয়ানী গ্রামে। নিহত মুরছালিন (৮) স্থানীয় মশিউর রহমানের ছেলে। 

শনিবার (৬ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টার দিকে প্রতিবেশী মমিনুলের বাবা ফরিদ উদ্দিনের বাড়ির ল্যাট্রিনের সেপটি ট্যাংকি থেকে শিশুর লাশ উদ্ধার করা হয়।

পরিবারের অভিযোগ, বড় ভাইয়ের বিয়ের আলোচনা চলাকালীন সময়ে মমিনুল ইসলাম মোবাইল দেখানোর প্রলোভন দেখিয়ে মুরছালিনকে বলাৎকার করে এবং শ্বাসরোধে হত্যা করে।

এর আগে (৫ সেপ্টেম্বর) শিশুটি নিখোঁজ হলে পরিবারের ও স্থানীয়দের সন্দেহ হয় মমিনুল ও তার পরিবারের দিকে। ওইদিন সন্ধ্যা পর্যন্ত খোঁজ না পাওয়ায় শিশুর পরিবার মমিনুলের বাড়িতে গিয়ে খোঁজ করলে তারা তা অস্বীকার করে। বিষয়টি জানাজানি হলে মমিনুলের পরিবার আত্মগোপন করে।

শনিবার সন্ধ্যার পর শিশুর লাশ পাওয়া গেলে স্থানীয় জনতা উত্তেজিত হয়ে মমিনুলের বাড়ি ও নানার বাড়িতে ভাঙচুর ও আগুন ধরিয়ে দেয়। পরে ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশের তৎপরতায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।

নাগেশ্বরী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রেজাউল করিম রেজা বলেন, “নিহত শিশুর লাশ ময়নাতদন্তের জন্য কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। ইতিমধ্যে চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মূল আসামি মমিনুল ইসলামসহ তার বাবা ফরিদ উদ্দিন, ভায়রা আব্দুল্লাহ ও শ্যালক মাসুম মিয়া পলাতক রয়েছেন। পলাতক আসামিদের ধরতে অভিযান চলমান রয়েছে।”

ইএইচ