চট্টগ্রাম বন্দর দেশের অর্থনীতির প্রধান প্রবেশদ্বার। রপ্তানি-আমদানি নির্ভর বাংলাদেশের শিল্প-বাণিজ্যের চালিকাশক্তি এই বন্দরকে ঘিরেই প্রতিদিন প্রবাহিত হয় কোটি কোটি টাকার লেনদেন।
এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের নেতৃত্ব যখন সংকটময় পরিস্থিতিতে এসে পড়ে, তখনই দায়িত্ব গ্রহণ করেন রিয়ার এডমিরাল এস. এম. মনিরুজ্জামান।
তিনি যোগ দেন এমন সময়ে, যখন বন্দর নানা সংকট ও চ্যালেঞ্জে জর্জরিত। দীর্ঘদিনের অনিয়ম, দখলদারিত্ব ও রাজনৈতিক প্রভাব বন্দরের স্বাভাবিক কার্যক্রমকে ব্যাহত করছিল। দায়িত্ব গ্রহণ করেই তিনি দৃঢ় পদক্ষেপ নেন এবং অল্প সময়ের মধ্যেই পরিবর্তনের সূচনা ঘটে।
চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথম লক্ষ্য ছিল দুর্নীতি ও অনিয়ম দূর করা। একের পর এক সাহসী উদ্যোগের মাধ্যমে তিনি প্রশাসনিক কাঠামোকে স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক করেন।
বন্দর এলাকায় দখলদারিত্ব ও অব্যবস্থাপনা রোধে কঠোর ব্যবস্থা নেন। ফলে বন্দরের কার্যক্রমে শৃঙ্খলা ফিরে আসে।
বন্দরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মতে, মনিরুজ্জামানের নেতৃত্ব অতীতের যেকোনো চেয়ারম্যানের তুলনায় ভিন্ন ও ব্যতিক্রম।
তাদের ভাষায়, তিনি শুধু প্রশাসনিক প্রধান নন; বরং একজন অনুপ্রেরণাদায়ী নেতা, যিনি প্রতিটি কাজে দায়িত্বশীলতা ও দূরদর্শিতা প্রদর্শন করেছেন।
তার নেতৃত্বে বন্দরের সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। পণ্য ওঠানামা, কার্গো হ্যান্ডলিং, জাহাজ আগমন-বহির্গমন—সব ক্ষেত্রে দ্রুততা ও দক্ষতা বেড়েছে। ব্যবসায়ী ও আমদানিকারক-রপ্তানিকারকদের আস্থা ফিরেছে বন্দরের ওপর। এর ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিতে।
বর্তমানে চট্টগ্রাম বন্দরের নাম উচ্চারিত হলে সঙ্গে সঙ্গেই উঠে আসে রিয়ার এডমিরাল এস. এম. মনিরুজ্জামানের নাম। তার দূরদর্শী নেতৃত্ব, সাহসী পদক্ষেপ এবং স্বচ্ছতা প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টা তাকে এনে দিয়েছে বিশেষ মর্যাদা। অনেকের মতে, তিনি আধুনিক চট্টগ্রাম বন্দরের প্রকৃত রূপকার।
ইএইচ
আমার সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন