কুষ্টিয়া-রাজবাড়ী মহাসড়কের কুমারখালী উপজেলার চড়াইকোল রেলগেটের দুই পাশের রোড ডিভাইডারের কারণে প্রতিনিয়ত ছোট-বড় দুর্ঘটনা ঘটছে।
মঙ্গলবার রাত ১১টায় চুয়াডাঙ্গার দর্শনা থেকে পাটুরিয়া ঘাটের উদ্দেশে যাচ্ছিলো একটি মালবাহী ট্রাক। পথে চড়াইকোল বোর্ড অফিস রেলগেটের কাছে ডিভাইডারের সঙ্গে ধাক্কা লেগে ট্রাকটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। তবে চালক ও যাত্রীর কেউ হতাহত হননি।
স্থানীয় সূত্র জানায়, এই রোড ডিভাইডার স্থাপনের পর থেকে প্রতি মাসেই এ ধরনের দুর্ঘটনা ঘটছে। বিশেষ করে রাতের আঁধারে চালকের চোখে ডিভাইডারটি পড়ে না। তাই স্থানীয়রা এবং চালকরা দাবি করেছেন, দুর্ঘটনা এড়াতে দ্রুত এই ডিভাইডারটি সরানো হোক।
রেলগেট এলাকার জেমি স্টোরের মালিক জিন্না বলেন, “ডিভাইডার দেওয়ার আগে এমন দুর্ঘটনা ঘটত না। এখন প্রতি মাসে দুই থেকে তিনটি যানবাহন ডিভাইডারের সঙ্গে ধাক্কা খাচ্ছে। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।”
ট্রাকটির ড্রাইভার রিমন বলেন, “চুয়াডাঙ্গা থেকে পাটুরিয়ার মেগা ফিডমিলে মাছের খাবার (খৈল) পৌঁছে দিতে যাচ্ছিলাম। রাত ১১টার দিকে দুর্ঘটনা ঘটে। রাতের অন্ধকারে মহাসড়কের মাঝখানে থাকা ডিভাইডার দেখা যায় না। এটি জরুরি ভিত্তিতে সরানো দরকার।”
কুমারখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস.এম. মিকাইল ইসলাম জানান, “আমি নিজেও নন্দলালপুরের রেলগেটে ডিভাইডারের সঙ্গে ঘটে যাওয়া কয়েকটি দুর্ঘটনার খবর শুনেছি। সাধারণ জনগণের নিরাপদ চলাচলের জন্য কুষ্টিয়া সড়ক ও জনপদ বিভাগের সঙ্গে আলোচনা করে ডিভাইডারটি সরানোর ব্যবস্থা করা হবে।”
ইএইচ
আমার সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন