শ্যামনগরে বিশ্ব নদী দিবসে নদী ও খাল দখল মুক্ত এবং ইজারা বন্ধের দাবি

আশিকুজ্জামান লিমন, শ্যামনগর, সাতক্ষীরা প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২৫, ০৩:২৯ পিএম
শ্যামনগরে বিশ্ব নদী দিবসে নদী ও খাল দখল মুক্ত এবং ইজারা বন্ধের দাবি

বিশ্ব নদী দিবস উপলক্ষে সাতক্ষীরার শ্যামনগরে নদী দখল ও ইজারা মুক্তের দাবীতে মানববন্ধন, সমাবেশ ও নানা কর্মসূচি পালিত হয়েছে। এ সময় উপজেলার নদী ও খালগুলোকে বাঁচাতে এবং পরিবেশগত বিপর্যয় রোধে অবিলম্বে দখলদারদের উচ্ছেদ করার দাবি জানিয়েছেন পরিবেশবাদী সংগঠন ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা।

যুব স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন সিডিও’র আয়োজনে ২৮ সেপ্টেম্বর রবিবার শ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাব চত্বর থেকে দিবসটি উপলক্ষে র‌্যালি শেষে উপজেলা প্রেসক্লাব চত্বরে এসে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। 

ঘণ্টাব্যাপি মানববন্ধনে সিডিও ইয়ুথ টিমের সিনিয়র ভলেন্টিয়ার হাফিজুর রহমান হাফিজ এবং সিনিয়র ভলেন্টিয়ার আনিছুর রহমান মিলনের সঞ্চালনায় ও শ্যামনগর আতরজান মহিলা মহাবিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যক্ষ আশেক-ই-এলাহীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন শ্যামনগর আতরজান মহিলা মহাবিদ্যালয়ের প্রভাষক মানবেন্দ্র দেবনাথ, শিক্ষক ও সাংবাদিক রনজিৎ বর্মণ, বীর মুক্তিযোদ্ধা মাষ্টার নজরুল ইসলাম, সিনিয়র সাংবাদিক আবু সাইদ, আনিসুজ্জামান সুমন, জিএম মোহাম্মদ আলী, সিএনআরএস এর ফিল্ড ফ্যাসিলিটেটর মায়া রানী, সিডিও ইয়ুথ টিম ভূরুলিয়া ইউনিটের টিম লিডার সিনিয়র ভলেন্টিয়ার রাজা হোসেন রাজা, সিডিও ইয়ুথ টিম কৈখালী ইউনিটের টিম লিডার সিনিয়র ভলেন্টিয়ার মনি সহ অনেকে।

বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা সিএনআরএস এর বাস্তবায়নে এবং সুইডিশ দূতাবাসের সহযোগিতায় উক্ত মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন সিডিও ইয়ুথ টিম মুন্সিগঞ্জ ইউনিটের টিম লিডার সিনিয়র ভলেন্টিয়ার মাফিজুর রহমান, সিডিও ইয়ুথ টিম সদর ইউনিটের ভলেন্টিয়ার নূর নাহার পারভীন নুহা, সিডিও ইয়ুথ টিম আটুলিয়া ইউনিটের ভলেন্টিয়ার রনি হোসেন হোসেন, সিডিও ইয়ুথ টিম নূরনগর ইউনিটের ভলেন্টিয়ার অরূপ দেবনাথ, আলোর পথে সমাজ কল্যাণ সমিতির সভাপতি প্রতিমা রানী সহ অনেকে।

মানববন্ধনে বক্তারা নদী এবং খালের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে নদী ও খালের গুরুত্ব তুলে ধরেন। কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া বক্তারা বলেন, উপজেলার নদ-নদী ও অধিকাংশ খাল আজ দখল, দূষণ ও অব্যবস্থাপনার কারণে মৃতপ্রায়। অবৈধ দখলদাররা নদীর পাড় দখল করে গড়ে তুলছে অবৈধ স্থাপনা। এতে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে, যার ফলে পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য মারাত্মক হুমকির মুখে পড়েছে।

বক্তারা বলেন, মাদার নদী ভরাট করে অবৈধ স্থাপনা গড়ে তোলা হয়েছে। নদীকে দেখে এখন চেনার উপায় নেই। এছাড়া আদি যমুনা নদী তার নাব্যতা হারিয়ে একেবারেই মৃতপ্রায়, এছাড়া আদি যমুনাকে বর্জ্য ফেলার স্থানে পরিণত করা হয়েছে।

ইএইচ