চলমান সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শারদীয় দুর্গাপূজার মধ্যেও বিদ্যুতের লোডশেডিং। এদিকে আশ্বিন মাসের ভ্যাপসা গরমে মানুষের দিনযাপন অসহনীয় হয়ে উঠেছে। এক সপ্তাহ ধরে বৃষ্টি না হওয়ায় দিনকাল কাঠফাটা রোদ ও ভ্যাপসা গরমে ভরা। এই পরিস্থিতিতে বিদ্যুতের লোডশেডিংয়ে জনজীবন আরও অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে।
নেত্রকোণার মোহনগঞ্জে তীব্র গরমে প্রতিবেদন তৈরি করা পর্যন্ত পল্লী বিদ্যুতের ব্যাপক লোডশেডিংয়ের কারণে জনজীবন বিপর্যস্ত। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গড়ে প্রায় ১২ ঘণ্টাই লোডশেডিং থাকে।
লোডশেডিং সমস্যার কারণে ভোগান্তির শিকার উপজেলার লাখো মানুষ। পৌর শহরে প্রায় সকল পরিবার প্রয়োজনীয় পানির সংকটে পড়ছে।
দিনরাত সব মিলিয়ে প্রায় ১২ ঘণ্টা পল্লী বিদ্যুতের লোডশেডিং। অনেকেই ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে বিদ্যুতের দুর্ভোগ লাঘবে কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছেন। অপরদিকে বাসা-বাড়িসহ শিক্ষার্থীরা চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন। এতে জনজীবন নাজেহাল হওয়ার পাশাপাশি বিঘ্নিত হচ্ছে শিক্ষার্থীদের লেখাপড়া। তীব্র এ গরমে মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাপকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। একই সঙ্গে শিশু-বৃদ্ধসহ অনেকেই অসুস্থ হয়ে পড়ছেন।
মোহনগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ জোনাল অফিসের ডিজিএম ইমদাদুল হকের কাছে জানতে চাইলে দৈনিক আমার সংবাদ পত্রিকার প্রতিনিধিকে বলেন, বিদ্যুতের আমাদের জেনারেশন নাই। বরাদ্দ কম।
গ্রাহকরা ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, প্রতিদিন সকাল থেকে রাত সব মিলিয়ে ১১ থেকে ১২ ঘণ্টা লোডশেডিংয়ের নামে বিদ্যুৎ বিভ্রাট হচ্ছে। মোহনগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ এর এমন আচরণ নতুন কিছু নয়, প্রতিনিয়ত এমনই হচ্ছে। এতে চরম দুর্ভোগের শিকার হতে হয় পৌর শহর থেকে শুরু করে উপজেলার লাখো মানুষ।
জেএইচআর
আমার সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন