গাজীপুরের টঙ্গীতে কেমিক্যাল গোডাউনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে জীবন উৎসর্গকারী শহীদ ফায়ার ফাইটার শামীম আহমেদের নামে পাঠাগার উদ্বোধন করা হয়েছে নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলার মাসকা ইউনিয়নের পিজাহাতী গ্রামে।
শনিবার দুপুরে শহীদ শামীম আহমেদের শিশু পুত্র নাবিল আহমেদকে সঙ্গে নিয়ে ‘শহীদ ফায়ার ফাইটার শামীম আহমেদ স্মৃতি পাঠাগার’-এর নামফলক উন্মোচন করেন কেন্দুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইমদাদুল হক তালুকদার। পাঠাগারটি প্রতিষ্ঠা করেছে স্থানীয় তরুণ সংগঠন পিজাহাতী আদর্শ যুব সমাজ।
উদ্বোধনী আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স, নেত্রকোনার সিনিয়র স্টেশন অফিসার খানে আলম, কেন্দুয়া ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলী, শহীদ শামীমের বড় ভাই মোহাম্মদ রুহুল আমিন, চাচাতো ভাই আব্দুল বারী বকুল, স্থানীয় বাসিন্দা মোজাম্মেল হক রনি এবং বাছিরুজ্জামান বাছিরসহ অসংখ্য এলাকাবাসী।
এর আগে পাঠাগার সংলগ্ন মাঠে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। স্থানীয় বাসিন্দা মোজাম্মেল হক রনির সভাপতিত্বে এবং রবিউল আউয়াল আলমের সঞ্চালনায় আয়োজিত সভায় বক্তারা শহীদ শামীম আহমেদের কর্মময় জীবনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন এবং তার আত্মত্যাগকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন।
আলোচনা শেষে শহীদ শামীমের রুহের মাগফেরাত কামনা করে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। সভায় শামীমের বড় ভাই মোহাম্মদ রুহুল আমিন, শামীমের স্ত্রী ও সন্তানের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান।
এসময় নেত্রকোনার ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার খানে আলম এবং ইউএনও ইমদাদুল হক তালুকদার শহীদ শামীমের পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দেন। ইউএনও বলেন, জনগণের জানমাল রক্ষায় জীবন বিসর্জন দেওয়া শহীদ শামীম আহমেদের নাম ইতিহাসের পাতায় চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।
জেএইচআর
আমার সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন