সারজিস আলম

নির্বাচনে হেভিওয়েট নেতাদের ভূমিধস পতন হবে

পঞ্চগড় প্রতিনিধি প্রকাশিত: জানুয়ারি ২৫, ২০২৬, ০৫:০১ পিএম
নির্বাচনে হেভিওয়েট নেতাদের ভূমিধস পতন হবে

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম বলেছেন, ১২ ফেব্রুয়ারির এই নির্বাচনে পূর্ব নির্ধারিত হেভিওয়েটের যে চিন্তা বা কনসেপ্ট এটা আর এই বাংলাদেশে টিকবে না। বিভিন্ন বড় বড় রাজনৈতিক দলের বড় বড় সো কল্ড হেভিওয়েট নেতা যারা ছিল এবার তাদের ভূমিধস পতন হবে ইনশাআল্লাহ।

রোববার বেলা ১২টার দিকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে চতুর্থ দিনের মতো পঞ্চগড়-১ আসনে নির্বাচনী প্রচারণায় পঞ্চগড়ের অমরখানা ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকার ভোটারদের কাছে ছুটে গিয়ে গণসংযোগ ও উঠান বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, বিপ্লব মানুষের ঘরে ঘরে পৌঁছে গিয়েছে। আমরা মানুষের মধ্যে একটা পরিবর্তন দেখতে পাচ্ছি। মানুষ শুধু ১২ তারিখের অপেক্ষায় আছে। প্রত্যেকটা মানুষ জুলুমের বিরুদ্ধে ভোট দিবে। প্রত্যেকটা মানুষ চাঁদাবাজি দখলদারিত্ব এবং হুমকি- ধামকি ক্ষমতার অপব্যবহার, মামলা বাণিজ্য এসব যারা করেছে এবার তাদের বিরুদ্ধে ভোট দিবে।
 
অভিযোগ করে তিনি বলেন, আপনারা দেখবেন এক বছর তিন মাস ধরে যারা জুলুম করেছে তারা এখন ফেরেশতা সাজার চেষ্টা করছে। মানুষ এ ধরনের গিরগিটি চরিত্রের মানুষদের ভালো করে চিনে রাখবে। কিন্তু আপনারা ভোটে দেখতে পারবেন মানুষ অনেকের কথায় কান দিবে কিন্তু ভোট দেয়ার সময় জায়গামতো ভোট দিবে।
 
শুধু পঞ্চগড়-১ আসনে নয় পুরো বাংলাদেশে ইনসাফের পক্ষে, ভালোর পক্ষে, সাধারণ মানুষের পক্ষে, ১০ দলীয় জোটের যে ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ এই ১০ দলীয় ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ বিজয়ী হয়ে আগামীতে সরকার গঠন করবে ইনশাআল্লাহ।
 
হুমকির অভিযোগ তুলে সারজিস বলেন, আমরা একটা কথা বলে দিতে চাই। এখনো আমার আসনে বিএনপির কিছু নেতাকর্মী স্থানীয় পর্যায়ের অনেক মানুষকে গিয়ে হুমকি দিচ্ছে। আজকে সকালে এসে একজন আমাকে অভিযোগ করেছে জামায়াতের একজন কর্মী। তাকে হুমকি দেয়া হয়েছে- জামায়াত তো ক্ষমতায় আসবে না, জামায়াত বা ১১ দলের প্রার্থী এখানে জিতবে না। নির্বাচনের পরে দেখে নিবে যদি তারা ধানের শীষে ভোট না দেয়।
 
আমরা স্পষ্টভাবে বলে দিতে চাই- এই ধরনের হুমকি-ধামকি দিয়ে ভয় দেখিয়ে যারা ক্ষমতায় আসতে চায়, তাদের পতন শেখ হাসিনার চেয়েও ভয়ংকর খারাপ ভাবে হবে। বাংলাদেশের মানুষ এখন আগের ওই জায়গায় নাই, মানুষকে স্বাধীনভাবে ভোট দিতে দেন।
 
এএন