‘একটি রাষ্ট্রে নাগরিকের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কোনো পদ নেই’ স্লোগান সামনে রেখে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে জনগণের মুখোমুখি হয়েছেন চাঁদপুর-৩ আসনের প্রার্থীরা।
রোববার বিকেলে শহরের বাবুরহাট স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
সুজন চাঁদপুর জেলা কমিটির সভাপতি অধ্যক্ষ মোশারেফ হোসেনের সভাপতিত্বে ও প্রধান সমন্বয়কারী দিলীপ কুমার সরকারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে নিজ নিজ পরিকল্পনা তুলে ধরেন প্রার্থীরা।
চাঁদপুর-৩ (সদর ও হাইমচর) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক, জামায়াত মনোনীত প্রার্থী মো. শাহজাহান মিয়া, ইসলামী ফ্রন্টের এএইচএম আহসান উল্যাহ এবং বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির মো. জাহাঙ্গীর হোসেন তাদের বক্তব্য তুলে ধরেন। গণ অধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. জাকির হোসেন বিএনপির প্রার্থীকে সমর্থন দেওয়ায় বক্তব্য দেওয়া থেকে বিরত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে প্রার্থীরা ভোটারদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন। শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক বলেন, ‘নির্বাচিত হলে চাঁদপুরে দুর্নীতিমুক্ত সমাজ গঠনে কাজ করব এবং কোনো ধরনের মব সন্ত্রাস করতে দেওয়া হবে না।’ তিনি জুলাই আন্দোলনের প্রেক্ষাপট উল্লেখ করে সুজনের অঙ্গীকারনামা সংশোধনের আহ্বান জানান।
জামায়াত মনোনীত প্রার্থী মো. শাহজাহান মিয়া বলেন, ‘নির্বাচিত হলে এলাকায় ন্যায় ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করব। নদী ভাঙন প্রতিরোধ, হাসপাতালকে ৫০০ শয্যায় উন্নীত করা এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় বাস্তবায়নে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।’
কমিউনিস্ট পার্টির প্রার্থী জাহাঙ্গীর হোসেন চরাঞ্চলকে অর্থনৈতিক জোন করার প্রস্তাব দেন। ইসলামী ফ্রন্টের প্রার্থী আহসান উল্যাহ বলেন, তিনি বিজয়ী না হলেও উন্নয়নের কাজে পাশে থাকবেন।
ভোটারদের পক্ষে প্রত্যাশা তুলে ধরে বক্তব্য দেন চাঁদপুর প্রেসক্লাব সভাপতি সোহেল রুশদী, মাওলানা আব্দুর রউফ, জসিম উদ্দিন মাল ও সমাজকর্মী রোজিনা আফরোজ মুক্তা। তারা নদী ভাঙন রোধ, চাঁদপুর-কুমিল্লা আঞ্চলিক সড়ক চার লেনে উন্নীত করা, নতুন ট্রেন চালু ও মেডিকেল কলেজ পূর্ণাঙ্গ রূপ দেওয়ার দাবি জানান।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন, সুজন জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক রহিম বাদশা, সহসভাপতি আলম পলাশ, চাঁদপুর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এম এ লতিফ এবং সুজন চট্টগ্রাম বিভাগীয় সমন্বয়কারী সৈয়দ নাছির উদ্দিনসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।
ইএইচ
আমার সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন