গ্লোবাল ট্যালেন্ট প্রোগ্রাম চালুর প্রতিশ্রুতি জামায়াত প্রার্থীর

মো. সাজু মিয়া, কালীগঞ্জ (লালমনিরহাট) প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ৮, ২০২৬, ০৬:৪৪ পিএম
গ্লোবাল ট্যালেন্ট প্রোগ্রাম চালুর প্রতিশ্রুতি জামায়াত প্রার্থীর

দুর্নীতিকে লাল কার্ড দেখানো, মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য গ্লোবাল ট্যালেন্ট প্রোগ্রাম চালু এবং অপরাধ দমনে ‘জিরো ক্রাইম কমিউনিটি’ গড়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেছেন লালমনিরহাট-২ আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট ফিরোজ হায়দার লাভলু। 

রোববার বিকেলে কালীগঞ্জ প্রেসক্লাবে আনুষ্ঠানিকভাবে নিজের ১৩ দফার এ ইশতেহার তুলে ধরেন তিনি।

ব্যক্তিগত এ ইশতেহারে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে দুর্নীতি দমন ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষায় সহায়তা প্রদানের ওপর। ইশতেহারে মেধাবীদের জন্য গ্লোবাল ট্যালেন্ট প্রোগ্রাম এবং গরিব শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ শিক্ষা সহায়তা তহবিল গঠনের কথা বলা হয়েছে। সবজির এলাকা হিসেবে পরিচিত এ আসনের কৃষকদের জন্য হিমাগার স্থাপন, কৃষি সরঞ্জাম সহজলভ্য করা এবং চরাঞ্চলে ভাসমান চাষাবাদের পরিবেশ তৈরির প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তিনি।

সীমান্তবর্তী এ আসনে অপরাধ দমনে সিসিটিভি ও টহল দলের মাধ্যমে জিরো ক্রাইম কমিউনিটি গঠনের পরিকল্পনা জানিয়েছেন ফিরোজ হায়দার লাভলু। স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে প্রতিটি ওয়ার্ডে গণশুনানির আয়োজন এবং মাদক নির্মূলে সচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি জড়িতদের পুনর্বাসনে বিকল্প কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করবেন বলে জানান তিনি।

তিস্তা ও ধরলা পাড়ের চরাঞ্চলের মানুষের জন্য মোবাইল স্বাস্থ্য ইউনিট চালু এবং দুই উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ৫০ শয্যা থেকে ১০০ শয্যায় উন্নীত করার প্রতিশ্রুতিও দেওয়া হয়েছে ইশতেহারে। এ ছাড়া বিড়ি কারখানাসহ স্থানীয় শিল্পপ্রতিষ্ঠানে শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি নিশ্চিত করা এবং তুষভাণ্ডারকে পৌরসভায় রূপান্তর ও দুর্গাপুরে পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র স্থাপনের অঙ্গীকার করেন এ প্রার্থী।

নৌপথ সৃষ্টির মাধ্যমে চরাঞ্চলের যোগাযোগ সহজ করা এবং ছোট নদী ও খাল সংস্কারের মাধ্যমে নাব্য ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনাও তুলে ধরেন তিনি। সংবাদ সম্মেলনে ফিরোজ হায়দার লাভলু বলেন, নির্বাচিত হলে ঘোষিত ইশতেহার অনুযায়ী কাজ বুঝে নেওয়ার অধিকার নাগরিকদের থাকবে।

অনুষ্ঠানে এনসিপির উত্তরাঞ্চলের সমন্বয়ক রাসেল আহমেদসহ জামায়াত ও শরিক দলের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

ইএইচ