ঈদে টাঙ্গাইলের বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে উপচেপড়া ভিড়

রাইসুল ইসলাম লিটন, টাঙ্গাইল প্রকাশিত: মার্চ ২৪, ২০২৬, ০৬:০৫ পিএম
ঈদে টাঙ্গাইলের বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে উপচেপড়া ভিড়

ঈদের আনন্দ উপভোগ করতে টাঙ্গাইল জেলার বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে দর্শনার্থীদের উপচেপড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। ঈদগাহ মাঠে ঈদের নামাজ আদায় করে অনেকেই বিভিন্ন বিনোদন কেন্দ্রের উদ্দেশে বেরিয়ে পড়েন।

ঈদের দিন থেকে মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) বিকাল পর্যন্ত জেলার বিভিন্ন বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে হাজার হাজার মানুষের উপস্থিতি দেখা যায়।

ঈদকে কেন্দ্র করে টাঙ্গাইল শহরের অন্যতম বিনোদন কেন্দ্র ডিসি লেক, এসপি পার্ক, সন্তোষ মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস, ঘারিন্দা সোলপার্ক, রেলস্টেশন ও মনতলায় সব বয়সী মানুষের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। দর্শনার্থীরা প্রিয়জন বা পরিবারের সদস্যদের নিয়ে মেতে ছিলেন উৎসবে। কেউ নাগরদোলা ও দোলনায় দোল খাচ্ছেন, কেউ দিঘী ও বিলের জলে নৌকায় ভাসছেন, আবার কেউ ব্যস্ত ছিলেন আড্ডা ও সেলফি তোলায়। তবে শিশুদের আনন্দ ছিল সবচেয়ে বেশি।

জেলার অন্যান্য উল্লেখযোগ্য বিনোদন কেন্দ্র যেমন—মধুপুর বনাঞ্চল, ধনবাড়ী নবাব বাড়ি, গোপালপুরের ২০১ গম্বুজ মসজিদ, যমুনা রিসোর্ট, এলেঙ্গা রিসোর্ট, মির্জাপুরের মহেড়া জমিদার বাড়ি, নাগরপুর জমিদার বাড়ি এবং উপেন্দ্র সরোবরসহ বিভিন্ন স্থানে পর্যটকদের ঢল নেমেছে। বিশেষ করে যুবকরা মোটরসাইকেল নিয়ে ফাঁকা সড়ক-মহাসড়ক দাপিয়ে বেড়িয়েছেন। তবে জ্বালানি তেলের সীমাবদ্ধতার কারণে অনেকেই দূরে কোথাও না গিয়ে কাছাকাছি এলাকাগুলোতে ঘুরে আনন্দ করেছেন।

পরিবার নিয়ে ঘুরতে আসা জসিম উদ্দিন জানান, সুন্দর আবহাওয়ায় সন্তানদের আবদার মেটাতে বের হয়েছেন। রাস্তাঘাট ফাঁকা থাকায় যানজটের ভোগান্তি ছাড়াই তারা আনন্দ করতে পারছেন। অন্যদিকে দর্শনার্থী রুনা আক্তার জানান, গণপরিবহন কম থাকায় রিকশায় চড়েই শহরের বিভিন্ন স্থান ঘুরে দেখছেন তারা।

যমুনা সেতু পূর্ব এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, নদীর তীরে কয়েকশ দর্শনার্থী ভিড় করেছেন। টাঙ্গাইল সদর থেকে আসা মানিক মিয়া ও আশিক মাহমুদ জানান, প্রচণ্ড গরমের কারণে তারা নদীর তীরের শীতল পরিবেশ বেছে নিয়েছেন। যমুনা নদীর বামতীরে গড়িলাবাড়ি এলাকায় বন্ধু ও স্বজনদের নিয়ে আগত দর্শনার্থীদের এই উপচেপড়া ভিড়ে স্থানীয় বাসিন্দারাও আনন্দ প্রকাশ করেছেন।

জেএইচআর