বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনা ও উৎসবমুখর পরিবেশে ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ডুয়েট)-এ বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপিত হয়েছে।
মঙ্গলবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ আবু সাঈদ প্রশাসনিক ভবনের সামনে থেকে একটি বর্ণাঢ্য বৈশাখী শোভাযাত্রার মাধ্যমে বর্ষবরণ কর্মসূচির সূচনা করা হয়।
উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীনের নেতৃত্বে শোভাযাত্রাটি পুরো ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে। পরে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে উপাচার্য সকলকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, “বাঙালি জাতিসত্তার সাংস্কৃতিক ভিত্তি হিসেবে পহেলা বৈশাখ আমাদের ঐতিহ্যের অবিচ্ছেদ্য অংশ।”
তিনি আরও উল্লেখ করেন, চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের অর্জনকে কাজে লাগিয়ে পঞ্চম শিল্পবিপ্লব সংশ্লিষ্ট প্রযুক্তির উৎকর্ষতা অর্জনে ডুয়েটের অগ্রযাত্রা নতুন বছরে আরও বেগবান করতে হবে।
উপাচার্য তাঁর বক্তব্যে ডুয়েটে বাস্তবায়নাধীন ‘এম-ডুয়েট’ প্রকল্পসহ চলমান গবেষণা কার্যক্রমের গতিশীলতা বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি অতীতের গ্লানি মুছে ব্যক্তিগত ও পেশাগত জীবনের অপূর্ণতা দূর করে সম্মিলিত প্রয়াসে বিশ্ববিদ্যালয়কে এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানান।
পরিচালক (ছাত্র কল্যাণ) অধ্যাপক ড. উৎপল কুমার দাসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. খসরু মিয়া। এছাড়াও বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় প্রধান, পরিচালক, হল প্রভোস্টসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।
শোভাযাত্রা ও সমাবেশ শেষে প্রশাসনিক ভবনের সামনে একটি বর্ণিল পিঠা উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। পরে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতি তুলে ধরে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়। এছাড়া ডুয়েট স্কুলের খুদে শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে পুরো ক্যাম্পাস প্রাঙ্গণ এক আনন্দমেলায় পরিণত হয়। সব মিলিয়ে প্রযুক্তির উন্নয়নের শপথ ও বাঙালির ঐতিহ্যের মেলবন্ধনে ডুয়েটে নতুন বছরকে স্বাগত জানানো হয়।
জেএইচআর
আমার সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন