কুষ্টিয়ায় নারী আসনে বিএনপির প্রার্থী ফরিদা ইয়াসমিন

হেলাল মজুমদার, ভেড়ামারা (কুষ্টিয়া) প্রকাশিত: এপ্রিল ২১, ২০২৬, ০৬:২৫ পিএম
কুষ্টিয়ায় নারী আসনে বিএনপির প্রার্থী ফরিদা ইয়াসমিন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য প্রার্থীর তালিকা চূড়ান্ত করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। দুই দিনব্যাপী সাক্ষাৎকার গ্রহণ শেষে ৩৬ জনের মনোনয়ন নিশ্চিত করেছে দলটি। 

সোমবার দুপুরে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী এ তথ্য জানিয়েছেন। বৃহত্তর কুষ্টিয়ার সংরক্ষিত নারী আসনে প্রার্থী চূড়ান্ত করা হয়েছে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির অন্যতম সদস্য, অবিভক্ত ঢাকা মহানগর মহিলা দলের সাবেক সেক্রেটারি ফরিদা ইয়াসমিনকে। দলের এই সিদ্ধান্তে বৃহত্তর কুষ্টিয়ার নেতা-কর্মীদের মাঝে আনন্দের বন্যা বইছে।

ফরিদা ইয়াসমিন শেরে বাংলা বালিকা মহাবিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক। তাঁর শিক্ষাগত যোগ্যতা এম.এ ও বিএড। ১৯৯২ সালে ঢাকায় তাঁদের বাড়িতে বিএনপির নির্বাচনী কার্যালয় স্থাপিত হয়, সেখান থেকেই তাঁর বিএনপির রাজনীতি শুরু হয়।

১৯৯৬ সালে ধানমন্ডি থানার জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের তৎকালীন ৪৮ নম্বর ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। ১৯৯৮ সালে বন্যায় কবলিত মানুষের পাশে ব্যাপক সাহায্য-সহযোগিতায় ধানমন্ডি থানার মহিলা দল কাজ করে। ১৯৯৯ সালে থানা ভাগ হলে হাজারীবাগ থানা মহিলা দলের আহ্বায়ক হন। ২০০০ সালে হাজারীবাগ থানার মহিলা দলের সভানেত্রী নির্বাচিত হন।

৮ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। ২০০২ সালে ঢাকা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে হাজারীবাগ, ধানমন্ডি ও মোহাম্মদপুর তিনটি থানার পরিচালনার দায়িত্বে নিয়োজিত ছিলেন। ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত আওয়ামী দুঃশাসনের বিরুদ্ধে প্রতিটি মিছিল-মিটিংয়ে নিজ সংগঠনের মহিলাদের সঙ্গে নিয়ে অংশগ্রহণ করেন।

২০০৭ সালে কুষ্টিয়া জেলা আহ্বায়ক কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক নির্বাচিত হন। ২০১০ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের অবিভক্ত ঢাকা মহানগরের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। এ সময়ে শিক্ষিত নারীদের রাজনীতিতে অন্তর্ভুক্ত করতে ৫০টি থানার মধ্যে ৪৬টি থানায় কমিটি গঠন করেন। ২০১৬ সালে জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য পদে নির্বাচিত হন। ২০২১ সালে কুষ্টিয়া জেলা কমিটির সদস্য নির্বাচিত হন।

তাঁর বিরুদ্ধে ৭টি রাজনৈতিক মামলা রয়েছে (হাজারীবাগ, ধানমন্ডি, শাহবাগ ও পল্টন থানা)। তাঁর স্বামী প্রকৌশলী কে.এম হামিদুর রহমান (অবসরপ্রাপ্ত)। তাঁদের দুই ছেলে সন্তান রয়েছে। বড় ছেলে কে.এম এরফান হামিদ (পিএইচডি), কোয়ালিটি অ্যাস্যুরেন্স ইঞ্জিনিয়ার, মাইক্রন টেকনোলজি, ইনক। তিনি পরিবারসহ যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়ায় বসবাস করেন। ছোট ছেলে কে.এম বায়েজীদ হামিদ স্কলারশিপ নিয়ে রাইট স্টেট ইউনিভার্সিটিতে বিজনেস অ্যানালাইসিস বিষয়ে পড়াশোনা শেষ করেছে। তিনি পরিবারসহ যুক্তরাষ্ট্রের কলম্বাসে বসবাস করেন।

এএন