চাহিদার তুলনায় বিদ্যুৎ সরবরাহ কম থাকায় জিয়ানগর উপজেলায় তীব্র বিদ্যুৎ সংকট দেখা দিয়েছে। এতে উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়নে ঘনঘন লোডশেডিংয়ে জনজীবন চরম ভোগান্তিতে পড়েছে। শহরের তুলনায় গ্রামাঞ্চলে এই সংকট আরও বেশি প্রকট হয়ে উঠেছে, ফলে সাধারণ মানুষ, শিক্ষার্থী ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে অসন্তোষ বাড়ছে।
বিদ্যুৎ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, উপজেলায় দুটি সাব-স্টেশন থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়। দৈনিক চাহিদা প্রায় ১০ মেগাওয়াট হলেও বর্তমানে তার তুলনায় অনেক কম বিদ্যুৎ পাওয়া যাচ্ছে। ফলে নিয়মিত রোটেশন করে লোডশেডিং করতে হচ্ছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, মাত্র ৪০ থেকে ৫০ মিনিট বিদ্যুৎ থাকার পর দীর্ঘ সময় লোডশেডিং চলে। দিনে-রাতে অসংখ্যবার বিদ্যুৎ যাওয়া-আসার কারণে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। অনেক সময় দিনে ১০ থেকে ১২ ঘণ্টার মধ্যে মাত্র ৫ থেকে ৬ ঘণ্টা বিদ্যুৎ পাওয়া যাচ্ছে বলে জানান তারা।
চলমান এসএসসি পরীক্ষার্থীরাও এই পরিস্থিতিতে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছে। একজন পরীক্ষার্থী রিফাত জানায়, “দিন-রাত বারবার বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় আমাদের পড়াশোনায় খুব সমস্যা হচ্ছে।”
ব্যবসায়ীরাও ক্ষতির মুখে পড়েছেন। বাজারের ব্যবসায়ী ইলিয়াছ বলেন, “সারাদিন বিদ্যুৎ ঠিকমতো না থাকায় ব্যবসা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। রাত ৭টার মধ্যে দোকান বন্ধ করতে হওয়ায় লোকসান বাড়ছে।”
এ বিষয়ে পল্লী বিদ্যুতের ইন্দুরকানী সদর ও পত্তাশী ইউনিয়নের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা খন্দকার দিদার হোসেন বলেন, উপজেলায় প্রায় ১০ মেগাওয়াট বিদ্যুতের চাহিদা থাকলেও বর্তমানে পাওয়া যাচ্ছে মাত্র ২ মেগাওয়াটের মতো। ফলে লোডশেডিং দিতে বাধ্য হচ্ছেন তারা।
এএন
আমার সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন