গত এক সপ্তাহ ধরে নেত্রকোণায় অব্যাহত ভারী বৃষ্টিপাত ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে প্রায় ১১ হাজার হেক্টর জমির ধান পানিতে তলিয়ে যায়। এর পর আজ মঙ্গলবার সকাল থেকেই ঝলমলে রোদ উঠায় কৃষক-কৃষাণীরা ব্যস্ত সময় পার করছেন।
এতদিন রোদ না থাকায় কৃষকরা পানির নিচ থেকে ধান সংগ্রহ করতে পারলেও তা মাড়াই ও শুকাতে পারছিলেন না। আজ রোদ উঠায় পরিবারের সদস্যদের নিয়ে তারা ধান মাড়াই ও শুকানোর কাজে হাড়ভাঙা পরিশ্রম করছেন।
ইতোমধ্যে সরকার ধান-চাল সংগ্রহ অভিযান শুরু করলেও, রোদের অভাবে ভেজা ধান নিয়ে দুশ্চিন্তায় দিন কাটাচ্ছিলেন কৃষকরা।
তাদের দাবি, সরকারের পাশাপাশি ব্যবসায়ীরাও যদি শুকনো ও ভেজা ধান ক্রয় করতেন, তাহলে কৃষকরা কিছুটা হলেও ক্ষতি পুষিয়ে নিতে পারতেন। বর্তমানে হাওরপাড়ের শত শত কৃষক পরিবারের মাঝে চরম উদ্বেগ বিরাজ করছে-কখন আবার বৃষ্টি ও বন্যা শুরু হয়।
এ বিষয়ে নেত্রকোণা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সাখাওয়াত হোসেন জানান, মঙ্গলবার দুপুর পর্যন্ত উব্দাখালী নদীর পানি কলমাকান্দা পয়েন্টে ০.৪০ মিটার, ধনু নদীর খালিয়াজুড়ি পয়েন্টে ০.১৪ মিটার এবং কংশ নদীর জারিয়া পয়েন্টে বিপদসীমার ০.৫০ মিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে বাঁধ ভেঙে যাওয়ার কোনো আশঙ্কা নেই। পানি উন্নয়ন বোর্ড সবসময় মাঠে সক্রিয় রয়েছে।
এম জি
আমার সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন