কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় জুবায়ের (২৫) নামে এক যুবককে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় জড়িত সন্দেহে রানা নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ।
শুক্রবার রাত ৮টার দিকে উপজেলার কোদালিয়া-হোসেনপুর সড়কের শৈলজানি আলিম মাদরাসার সামনের রাস্তায় এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
নিহত জুবায়ের পাকুন্দিয়া উপজেলার চরপলাশ গ্রামের মো. আলতাব উদ্দীনের ছেলে। তিনি বিভিন্ন দোকানে ঘুরে বেকারির মালামাল বিক্রির কাজ করতেন। অন্যদিকে আটক রানা একই গ্রামের চরপলাশ মোড়লবাড়ির ফিরোজ মিয়ার ছেলে। তিনি নিহতের ব্যবসায়িক সহযোগী হিসেবে কাজ করতেন বলে জানা গেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার রাত ৭টার দিকে জুবায়ের কোদালিয়া চৌরাস্তা বাজারে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হন। কোদালিয়া-হোসেনপুর পাকা সড়কের শৈলজানি এলাকায় পৌঁছালে একদল দুর্বৃত্ত তাঁর ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। হামলাকারীরা তাঁকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে রাস্তায় ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। আঘাত গুরুতর হওয়ায় ঘটনাস্থলেই জুবায়েরের মৃত্যু হয়।
পরবর্তীতে স্থানীয় লোকজন রাস্তার ওপর রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে থানা পুলিশকে খবর দেন। রাত সাড়ে ৮টার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে নিহত যুবকের মরদেহ উদ্ধার করে প্রথমে পাকুন্দিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। এরপর ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ কিশোরগঞ্জ শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়।
পাকুন্দিয়া থানা পুলিশ জানায়, হত্যাকাণ্ডের খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এই ঘটনায় জড়িত সন্দেহে নিহতের সহযোগী রানাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন এবং জড়িত অন্যদের গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
জেএইচআর
আমার সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন