রাজারহাটে সাঁকো ভেঙে গ্রামবাসীর চলাচলে ভোগান্তি

রাজারহাট (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি প্রকাশিত: জুন ৭, ২০২৬, ০৫:৩৪ পিএম
রাজারহাটে সাঁকো ভেঙে গ্রামবাসীর চলাচলে ভোগান্তি

কুড়িগ্রামের রাজারহাটে চলাচলের একমাত্র কাঠের সাঁকো ভেঙে পারাপারে ভোগান্তির সৃষ্টি হয়েছে গ্রামবাসীর। স্থানীয়দের দাবি, বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিএমডিএ) খালের ওপর একটি নতুন ব্রিজ কিংবা কালভার্ট নির্মাণ করা হলে চলাচলে গ্রামবাসীর ভোগান্তি থাকবে না। সাঁকোটি রাজারহাট উপজেলার নাজিমখান ইউনিয়নের বাছড়া ঈদগাহ মাঠের পাড় সংলগ্ন বিএডিসির খালের ওপর জরাজীর্ণ অবস্থায় রয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিএমডিএ) খাল খননের সময় পানির প্রবাহের জন্য খালের গভীরতা বৃদ্ধি করা হয়েছে। বর্ষার পানি প্রবাহের সঙ্গে সঙ্গে সাঁকোর নিচের সিঁড়ির গোড়ার মাটি ধুয়ে গিয়ে সিঁড়ি নড়বড়ে হয়ে গিয়েছিল। সে সময় স্থানীয়দের সহযোগিতায় সাঁকোটি মেরামত করা হয়েছিল।

স্থানীয়রা আরও বলেন, সাবেক ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান জামাল উদ্দিন বিএমডিএ’র খালের ওপর এই কাঠের সাঁকোটি তৈরি করেছিলেন। দীর্ঘ সময় অতিক্রম করলেও সরকারি উদ্যোগে ব্রিজ বা কালভার্ট নির্মাণ করা হয়নি। গত বছরেও স্থানীয় লোকজন ও ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আবদুল মালেক পাটোয়ারীর অর্থায়নে চলাচলের জন্য সাঁকোটি মেরামত করা হয়েছিল। বর্ষার পানির তোড়ে আবারও সাঁকোর খুঁটি ভেঙে এটি অচল হয়ে যায়।

বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিএমডিএ) কুড়িগ্রামের নির্বাহী প্রকৌশলী ড. মো. এজাদুল ইসলাম বলেন, এই মুহূর্তে আমাদের ব্রিজ-কালভার্ট নির্মাণ প্রকল্প নেই। জনদুর্ভোগ লাঘবে রাষ্ট্রীয় অর্থায়নে যে কেউ ব্রিজ-কালভার্ট নির্মাণ করতে পারেন। ব্রিজ কিংবা কালভার্ট নির্মাণে অনাপত্তিপত্র পেলে আমরা প্রস্তাব পাঠাতে পারবো- এমন মন্তব্য করেন রাজারহাট উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান।

তিনি আরও বলেন, পনেরো মিটারের বেশি দৈর্ঘ্য হলে আমাদের পক্ষে ব্রিজ-কালভার্ট নির্মাণ করা সম্ভব হবে না। জানতে চাইলে কুড়িগ্রাম এলজিইডি নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, আমরা উপজেলা প্রকৌশলীসহ যাচাই করে দেখবো কোথাও ব্রিজ নির্মাণের প্রস্তাব আছে কি না। উপজেলা থেকে যাচাই-বাছাই করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

এ বিষয়ে কুড়িগ্রাম-২ আসনের সংসদ সদস্য ড. মো. আতিকুর রহমান মোজাহিদ বলেন, বিষয়টির ওপর ব্যবস্থা গ্রহণ করবো ইনশাআল্লাহ। সামনের বাজেটে এটি অন্তর্ভুক্ত করে জনদুর্ভোগ লাঘবে কাজ করা হবে। (ছবি সংযুক্ত)

এএন