দীর্ঘ ৩০ বছরের বেশি সময় পর সরাসরি ভোটে টাঙ্গাইল চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির পরিচালনা পরিষদের নির্বাচনে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির ঢাকা বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক বেনজির আহমেদ টিটু।
শনিবার রাতে নির্বাচিত পরিচালকদের ভোটে দুই বছর মেয়াদি টাঙ্গাইল চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি, ঊর্ধ্বতন সহ-সভাপতি ও সহ-সভাপতি নির্বাচিত করা হয়।
পরিষদের অন্য নির্বাচিত কর্মকর্তারা হচ্ছেন ঊর্ধ্বতন সহ-সভাপতি স্বপন ঘোষ, সহ-সভাপতি খন্দকার রাশেদুল আলম, মো. নুরুল আলম, দুলাল চন্দ্র সাহা ও সৈয়দ যুবায়ের আব্দুল্লাহ।
এর আগে গত সোমবার (২ জুন) টাঙ্গাইল ক্লাব মিলনায়তনে পরিচালক পদে ভোটগ্রহণ শেষে রাতেই ফলাফল ঘোষণা করা হয়। এতে পরিচালক পদে ‘এ’ শ্রেণিতে ১৮ জন এবং ‘বি’ শ্রেণিতে ১২ জন নির্বাচিত হন।
‘এ’ শ্রেণিতে নির্বাচিত পরিচালকরা হচ্ছেন- বেনজির আহমেদ টিটু, মো. নুরুল আলম, নাজমুল আহসান, শংকর সরকার, স্বপন ঘোষ, আখতার হোসেন খান, খন্দকার রাশেদুল আলম, তারেকুল ইসলাম (ঝলক), বিশ্বজিৎ কুমার সাহা (লিটন), আনবসুর রহমান চৌধুরী, সামসুর রহমান চৌধুরী, প্রভাত কুমার ধর, দুলাল চন্দ্র সাহা, খন্দকার আব্দুল মোকাদ্দেম, মির্জা জিয়াউর রহমান, মো. নুরুল ইসলাম (রবিন), মো. সরোয়ার হোসেন খান ও মো. আব্দুল্লাহ হেল কাফি।
‘বি’ শ্রেণিতে নির্বাচিত ১২ জন পরিচালক হচ্ছেন- মো. রোকনউদ্দিন, সৈয়দ যুবায়ের আব্দুল্লাহ, ইকবাল হোসেন জুয়েল, আবু সাঈদ চৌধুরী, মো. ফয়জুল ইসলাম, সাইফুল ইসলাম, কাজী শফিকুল ইসলাম (লিটন), মো. আরিফ হোসেন, মীর মিরাজ হোসেন, আজিম উদ্দিন রবিন, পলাশ চন্দ্র বসাক ও খন্দকার নাজমুল হায়দার (সৈকত)।
টাঙ্গাইল চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি সূত্র জানায়, তাদের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী ‘এ’ ও ‘বি’ উভয় শ্রেণি থেকে নির্বাচিত ৩০ জন পরিচালকের মধ্য থেকে সভাপতি ও সহ-সভাপতি নির্বাচন করা হয়।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার জেলা অ্যাডভোকেট বার সমিতির সাধারণ সম্পাদক সাঈদুল ইসলাম জানান, সোমবার সকাল ১১টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত টানা ভোটগ্রহণ করা হয়।
দীর্ঘদিন পর ভোটদানের সুযোগ পেয়ে সাধারণ ভোটাররা আনন্দিত। উৎসবমুখর পরিবেশে সবাই ভোট দিতে পেরেছেন। গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় নেতৃত্ব নির্বাচনের সুযোগ পেয়ে সবাই খুশি। এমন গণতান্ত্রিক চর্চা অব্যাহত থাকবে বলেও প্রত্যাশা করেন তারা।
প্রসঙ্গত, টাঙ্গাইলে ব্যবসায়ীদের নেতৃত্বদানকারী এই সংগঠনের সর্বশেষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৮৪ সালে। এরপর থেকে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ শুরু হয়। যখন যে দল ক্ষমতায় থাকত, সেই দলের নেতারা তাদের পছন্দের লোকদের দিয়ে পরিচালনা পরিষদ গঠন করে দিতেন। ফলে সাধারণ ভোটাররা ভোটদানের সুযোগ পেতেন না।
এএন
আমার সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন