ঝালকাঠিতে মাছের বাজারে ঊর্ধ্বগতি, বিপাকে ক্রেতারা

বীথি শর্মা বণিক, ঝালকাঠি প্রকাশিত: জুন ১১, ২০২৬, ০৮:১২ পিএম
ঝালকাঠিতে মাছের বাজারে ঊর্ধ্বগতি, বিপাকে ক্রেতারা

সমুদ্রে মাছ ধরার চলমান নিষেধাজ্ঞার কারণে সরবরাহ কমে যাওয়ায় ঝালকাঠির বাজারে বিভিন্ন ধরনের মাছের দাম বেড়েছে। এতে সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতি কেজি মাছের দাম ২০ থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে, ফলে সাধারণ ক্রেতারা বিপাকে পড়েছেন।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) ঝালকাঠির বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, আকারভেদে তেলাপিয়া মাছ বিক্রি হচ্ছে ২২০ থেকে ২৫০ টাকা কেজি দরে। গত সপ্তাহে ১৬০ টাকা কেজিতে বিক্রি হওয়া পাঙ্গাস এখন বিক্রি হচ্ছে ১৮০ থেকে ২০০ টাকায়। পোয়া মাছের দাম ৫০০ থেকে ৫৫০ টাকা, চাষের শিং ৪০০ টাকা এবং কই মাছ ২৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

এছাড়া পাবদা মাছ ৩৫০ টাকা, তুলারডাঁটি ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, রুই মাছ ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা এবং কাতল মাছ ৪০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। ছোট আকারের ইলিশের দাম উঠেছে ৮০০ থেকে ১ হাজার টাকায়। বিভিন্ন প্রজাতির চিংড়িও বিক্রি হচ্ছে ৮০০ থেকে ১ হাজার টাকা কেজি দরে।

মাছ ব্যবসায়ীরা জানান, সমুদ্রে মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞার কারণে সামুদ্রিক মাছের সরবরাহ বন্ধ থাকায় বাজারে চাপ পড়েছে স্বাদুপানির মাছের ওপর। এতে দাম বেড়েছে। তবে নিষেধাজ্ঞা শেষ হলে বাজার স্বাভাবিক হতে পারে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।

ক্রেতারা জানান, হঠাৎ করে মাছের দাম বেড়ে যাওয়ায় পরিবারের দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় আমিষের চাহিদা পূরণ করা কঠিন হয়ে পড়েছে। তারা বাজারে নিয়মিত মনিটরিং জোরদারের দাবি জানান।

ঝালকাঠি উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা সাইয়্যেদা বলেন, সাগরে মাছ ধরার যে অবরোধ চলছে, তার প্রভাব ঝালকাঠির বাজারে খুব একটা পড়ে না। জেলার বাজার মূলত স্থানীয় চাষের মাছের ওপর নির্ভরশীল। আশা করি সামনের দিনগুলোতে মাছের দাম কমে আসবে।

এদিকে ১১ জুন মধ্যরাত থেকে মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞা উঠে গেলে জেলেরা আবার সাগরে জাল ফেলতে পারবেন। এরপর ধীরে ধীরে বাজারে মাছের সরবরাহ বাড়বে এবং দামও স্বাভাবিক পর্যায়ে ফিরে আসবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

এম জি