যশোরের চৌগাছায় বাওড়ের গার্ডের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার, আটক ২

এম এ মান্নান, চৌগাছা (যশোর) প্রকাশিত: জুন ২১, ২০২৬, ০৭:৩৯ পিএম
যশোরের চৌগাছায় বাওড়ের গার্ডের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার, আটক ২

যশোরের চৌগাছা উপজেলার সিংহঝুলী ইউনিয়নের পিতম্বরপুর গ্রামের বেড় গোবিন্দপুর বাওড় এলাকা থেকে এক বাওড় গার্ডের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুইজনকে আটক করে থানায় নেওয়া হয়েছে।

নিহত আতিয়ার রহমান (৪২) উপজেলার লস্করপুর গ্রামের ছবেদ আলীর ছেলে। তিনি বেড় গোবিন্দপুর বাওড়ের গার্ড হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত শনিবার (২০ জুন, ২০২৬) সকাল থেকে আতিয়ার রহমান নিখোঁজ ছিলেন। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজির পর আজ রবিবার (২১ জুন) বিকেল ৫টার দিকে তাঁর ভাতিজা হাসান বেড় গোবিন্দপুর বাওড়ের একটি ক্যানেলে কচুরিপানার নিচে পানিতে ভাসমান অবস্থায় মরদেহ দেখতে পান। পরে তাঁর চিৎকারে স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন।

স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, দুর্বৃত্তরা পূর্ব শত্রুতার জেরে আতিয়ার রহমানকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলা ও পেটে আঘাত করে হত্যা করেছে। এ ছাড়া তাঁর পিঠের ডান পাশে বগলের নিচেও আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। হত্যার পর মরদেহ কচুরিপানার নিচে লুকিয়ে রাখা হয় বলে ধারণা করা হচ্ছে।

খবর পেয়ে চৌগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মামুনুর রশিদ এবং পরিদর্শক (তদন্ত) নুরুল আমিন সিকদারসহ পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত কার্যক্রম শুরু করে। এ ঘটনায় সন্দেহভাজন হিসেবে ধুলিয়ান ইউনিয়নের ফতেপুর গ্রামের হাফিজুরের ছেলে ওসমান (৩০) ও চৌগাছা ইউনিয়নের লস্করপুর গ্রামের সফেদ আলী মন্ডলের ছেলে রাশেদ (৩৮) নামে দুই ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নেওয়া হয়েছে।

চৌগাছা থানার পুলিশ জানায়, সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য যশোর জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে। ঘটনাটির রহস্য উদ্ঘাটন ও জড়িতদের শনাক্তে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

জেএইচআর