রাঙ্গামাটির বরকল দুর্গম সীমান্তবর্তী অসহায় মানুষের পাশে বিজিবি

মহুয়া জান্নাত মনি, রাঙ্গামাটি প্রকাশিত: জুন ২২, ২০২৬, ০৩:৩০ পিএম
রাঙ্গামাটির বরকল দুর্গম সীমান্তবর্তী অসহায় মানুষের পাশে বিজিবি

পার্বত্য চট্টগ্রামের দুর্গম সীমান্তবর্তী এলাকায় মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ হরিণা জোন (১২ বিজিবি)। সীমান্ত নিরাপত্তার পাশাপাশি এলাকার অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জীবনমান উন্নয়নে বিভিন্ন সামাজিক উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে জোনটি।

সোমবার সকালে ব্যাটালিয়ন সদরের তটিনী পোস্টের সামনে রাঙ্গামাটির দুর্গম বরকল ছোট হরিণা জোনের উদ্যোগে সম্প্রীতি ও উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় দায়িত্বপূর্ণ এলাকার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও অসহায় পরিবারের মাঝে আর্থিক অনুদান এবং প্রয়োজনীয় সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

বরকল ছোট হরিণা জোন ১২ বিজিবির জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল ইমরুল কায়েস মেহেদী প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এসব সহায়তা তুলে দেন এবং স্থানীয়দের খোঁজখবর নেন।

সহায়তা কর্মসূচির আওতায় অসহায় পরিবারের ঘর ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান মেরামতের জন্য ঢেউটিন, দুস্থদের চিকিৎসার জন্য নগদ টাকা, সেলাই মেশিন, সোলার সিস্টেম ও ফ্যানসহ মোট ১৫ জনের মাঝে আনুমানিক ৭৫ হাজার টাকার আর্থিক সহায়তা ও অনুদান প্রদান করা হয়।

জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল ইমরুল কায়েস মেহেদী বলেন, সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি মানুষের কল্যাণে কাজ করাও বিজিবির অন্যতম দায়িত্ব। সম্প্রীতি ও উন্নয়ন কার্যক্রমের মাধ্যমে স্থানীয় জনগণের সঙ্গে পারস্পরিক আস্থা ও সহযোগিতার সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হচ্ছে। ভবিষ্যতেও বিজিবির পক্ষ থেকে এমন মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

অনুষ্ঠানে বিজিবির মেডিকেল অফিসার ক্যাপ্টেন মো. আসিফুর রহমান, ভারপ্রাপ্ত কোয়ার্টার মাস্টার সহকারী পরিচালক মো. মাসুদ রানা এবং স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

ছোট হরিণা জোন সূত্রে জানা গেছে, সীমান্ত রক্ষার পাশাপাশি মানবিক দায়িত্ব পালনের অংশ হিসেবে নিয়মিতভাবে স্থানীয় জনগণের কল্যাণে বিভিন্ন সহায়তামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। বিশেষ করে দুর্গম পাহাড়ি ও নদীবেষ্টিত অঞ্চলে বসবাসরত দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর লক্ষ্যে এসব উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

সহায়তাপ্রাপ্তরা এই ধরনের মানবিক উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, দুর্গম এলাকায় বসবাসরত মানুষের জীবনমান উন্নয়নে ছোট হরিণা জোনের এই কার্যক্রম সত্যিই প্রশংসার দাবি রাখে। বিজিবি ভবিষ্যতেও এই ধরণের সহায়তা অব্যাহত রাখবে বলে তাঁরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

জেএইচআর