মাটিরাঙ্গায় উপজেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

জসীম উদ্দিন জয়নাল, পার্বত্যাঞ্চল প্রকাশিত: জুলাই ৮, ২০২৬, ১২:০৯ পিএম
মাটিরাঙ্গায় উপজেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় সম্ভাব্য প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলা, পূর্বপ্রস্তুতি এবং গ্রামীণ অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণসহ সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনার লক্ষ্যে উপজেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির এক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার সকালে মাটিরাঙ্গা উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন মাটিরাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) উম্মে তাহমিনা মিতু।

সভায় দুর্যোগকালীন সময়ে সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে ক্ষয়ক্ষতি কীভাবে সর্বনিম্ন পর্যায়ে রাখা যায়, সে বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। এছাড়া উপজেলার ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা চিহ্নিতকরণ, আশ্রয়কেন্দ্রগুলোর উপযোগিতা নিশ্চিতকরণের বিষয়েও গুরুত্বারোপ করা হয়।

মাটিরাঙ্গা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মো. ইশতিয়াক আহম্মেদ বলেন, যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা শাখা সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে। উপজেলার বিভিন্ন ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার মানুষের জন্য ইতোমধ্যে ২৫টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। পাশাপাশি দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত বা দুর্গত মানুষের তাৎক্ষণিক সহায়তার জন্য কিছু শুকনো খাবার মজুত রাখা হয়েছে, যা প্রয়োজন অনুযায়ী দ্রুত বিতরণ করা হবে।

সভায় মাটিরাঙ্গা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মো. ইশতিয়াক আহম্মেদ, মাটিরাঙ্গা থানার প্রতিনিধি উপপরিদর্শক (এসআই) মো. ইমতিয়াজ, মাটিরাঙ্গা পৌর বিএনপির সভাপতি মো. শাহ জালাল কাজল, মাটিরাঙ্গা উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মো. জিয়াউর রহমান জিয়া, মাটিরাঙ্গা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. শাহাবুদ্দিন আহমেদ, মাটিরাঙ্গা উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. হুমায়ন কবির পাটোয়ারী, মাটিরাঙ্গা প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. জসীম উদ্দিন জয়নাল, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. আরিফুল মোল্লা, মাটিরাঙ্গা ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন কর্মকর্তা মো. হারুন উর রশীদসহ সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা, সাংবাদিক এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

সভাপতির বক্তব্যে মাটিরাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে তাহমিনা মিতু বলেন, "যেকোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় পূর্বপ্রস্তুতির কোনো বিকল্প নেই। উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি কমাতে জনপ্রতিনিধি, প্রশাসনের কর্মকর্তা ও স্বেচ্ছাসেবকদের সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।"

এএন