দেশের বাজারে ভোজ্যতেলের দাম আবারও বাড়ানোর প্রস্তাব জানিয়েছে আমদানিকারক ও বিপণনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো। তারা আন্তর্জাতিক বাজারে দামের ঊর্ধ্বগতিকে কারণ দেখিয়ে প্রতি লিটারে ১০ টাকা বাড়ানোর দাবি জানিয়েছে।
রোববার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে এ বিষয়ে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে।
বাংলাদেশ ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনার্স অ্যান্ড বনস্পতি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশনের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি টন সয়াবিন তেলের দাম প্রায় ১,২০০ ডলারে পৌঁছেছে। সাম্প্রতিক সময়ে সয়াবিন ও পাম তেলের দাম গড়ে ১৮–২০ শতাংশ বেড়েছে। এজন্য দাম সমন্বয়ের দাবি জানানো হয়েছে।
তবে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অবস্থান অনুযায়ী, প্রস্তাবিত মূল্যবৃদ্ধি অতিরিক্ত। সচিব মাহবুবুর রহমান বলেন, “আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে তুলনা করলে ব্যবসায়ীদের প্রস্তাব অস্বাভাবিক মনে হচ্ছে। আমরা যাচাই-বাছাই করে সিদ্ধান্ত নেব।” সাধারণত ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন এ ধরনের প্রস্তাব পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে থাকে।
উল্লেখ্য, গত ১২ আগস্ট সরকার পাম তেলের দাম ১৯ টাকা কমিয়ে লিটারপ্রতি ১৫০ টাকা নির্ধারণ করেছিল। সয়াবিনের দাম অপরিবর্তিত রেখে ১৮৯ টাকা করা হয়। তার আগে এপ্রিল মাসে সয়াবিনের দাম ১৮৯ টাকা এবং পাম তেলের দাম ১৬৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল।
এদিকে, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে সয়াবিন, সানফ্লাওয়ার, পাম ও ভুট্টার তেল আমদানিতে এক শতাংশ উৎসে কর আরোপ করেছে। ব্যবসায়ীরা মনে করছেন, এটি ভোজ্যতেলের বাজারে প্রভাব ফেলবে।
ইএইচ
আমার সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন