রাজধানীর বাজারে নতুন চাল আসার প্রাক্কালে পুরোনো চালের দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ায় সাধারণ ভোক্তাদের মধ্যে তীব্র অস্বস্তি দেখা দিয়েছে। সপ্তাহের ব্যবধানে খুচরা বাজারে মিনিকেট ও নাজিরশাইলসহ প্রায় সব ধরনের চালের দাম কেজিতে ৩ থেকে ৫ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। অন্যদিকে, শীতকালীন সবজির সরবরাহ বাড়লেও তীব্র শীতের কারণে ক্ষেত্রবিশেষে দাম নিয়ে কাটছে না মিশ্র প্রতিক্রিয়া।
খুচরা ব্যবসায়ীদের তথ্যমতে, সপ্তাহের ব্যবধানে রশিদ মিনিকেট ৭২ টাকা থেকে বেড়ে ৭৫ টাকা হয়েছে। নন-ব্র্যান্ডের মিনিকেট ৭০ টাকা এবং ভালো মানের মোজাম্মেল মিনিকেট ৮৫-৮৬ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। দেশি নাজিরশাইল চালের দাম বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭২ থেকে ৮৫ টাকা কেজি, যা গত সপ্তাহেও ৩-৪ টাকা কম ছিল। আমদানিকৃত নাজিরশাইলও ৭৫-৭৮ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। নতুন আমন চাল বাজারে আসার আগেই মিলারদের কারসাজিতে এই মূল্যবৃদ্ধি বলে অভিযোগ করছেন খুচরা বিক্রেতারা।
তীব্র শীতের কারণে কৃষকরা মাঠ থেকে পর্যাপ্ত সবজি তুলতে না পারায় বাজারে সরবরাহে কিছুটা বিঘ্ন ঘটছে।
বাজারে প্রতি পিস ফুলকপি ও বাঁধাকপি ৩৫-৪০ টাকা, মুলা ৪০ টাকা এবং বেগুন ৬০-৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। টমেটোর কেজি এখনো ১০০-১২০ টাকার ঘরে। তবে শিম ৫০-৭০ টাকা এবং আলু ২৫-৩০ টাকার মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে।
চালের পাশাপাশি ডালের বাজারেও অস্বস্তি বেড়েছে। বিশেষ করে দেশি ছোট দানার মসুর ডাল সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিতে ২০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে।
ব্রয়লার মুরগি ১৬০-১৭০ টাকা এবং সোনালি মুরগি ২৪০-২৫০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। গরুর মাংস আগের মতোই ৭৫০-৮০০ টাকায় স্থির আছে। মাছের বাজারে রুই ৩২০-৪২০ টাকা এবং পাঙাশ ১৭০-২০০ টাকার মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে।
জেএইচআর
আমার সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন