তারল্য ব্যবস্থাপনা আরও সক্রিয় ও বাজারমুখী হওয়া প্রয়োজন: বিআইবিএম-এর কর্মশালায় বক্তারা

আমার সংবাদ ডেস্ক প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৬, ০৬:৪৩ পিএম
তারল্য ব্যবস্থাপনা আরও সক্রিয় ও বাজারমুখী হওয়া প্রয়োজন: বিআইবিএম-এর কর্মশালায় বক্তারা

বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্ট (বিআইবিএম) বুধবার ‘মুদ্রানীতি বিবৃতি: ব্যাংক খাতে এর গুরুত্ব ও প্রাসঙ্গিকতা’ শীর্ষক একটি বিশেষ কর্মশালার আয়োজন করে। দেশের ব্যাংকিং খাতের জন্য মুদ্রানীতির তাৎপর্য বিশ্লেষণের লক্ষ্যে আয়োজিত এই কর্মশালায় বক্তারা তারল্য ব্যবস্থাপনাকে আরও সক্রিয় ও বাজারমুখী করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

কর্মশালায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের মুদ্রানীতি বিভাগের নির্বাহী পরিচালক (গবেষণা) মোহাম্মাদ সালাউদ্দিন নাসের। তিনি সাম্প্রতিক মুদ্রানীতির বিভিন্ন দিক, সুদের হার কাঠামো, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ এবং ব্যাংকসমূহের কৌশলগত প্রস্তুতি বিষয়ে বিস্তারিত আলোকপাত করেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর ও বিআইবিএম নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান নুরুন নাহার ব্যাংকিং খাতের স্থিতিশীলতায় মুদ্রানীতির সঠিক প্রয়োগের ওপর জোর দেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের উপদেষ্টা মো. আহসান উল্লাহ।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিআইবিএম-এর মহাপরিচালক ড. মো. এজাজুল ইসলাম। তিনি বলেন, সময়োপযোগী ও গবেষণাভিত্তিক আলোচনা ব্যাংকিং খাতকে অধিকতর কার্যকর করতে ভূমিকা রাখে। তারল্য ব্যবস্থাপনা আরও সক্রিয় হওয়া প্রয়োজন বলে তিনি মন্তব্য করেন।

মহাপরিচালক আরও উল্লেখ করেন, এসডিএফ (SDF) সমন্বয়ের প্রেক্ষাপটে ব্যাংকসমূহের উচিত কেবল নিষ্ক্রিয়ভাবে তহবিল স্থাপন না করে আন্তঃব্যাংক লেনদেন আরও জোরদার করা। এতে অর্থবাজারে গতিশীলতা বৃদ্ধি পাবে এবং মুদ্রানীতির কার্যকারিতা আরও সুদৃঢ় হবে বলে তিনি জানান।

আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক ড. আকন্দ মোহাম্মদ আখতার হোসেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের চেয়ারম্যান ড. ফেরদৌসি নাহার এবং পূবালী ব্যাংক লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মাদ আলী। তাঁরা মুদ্রানীতির বাস্তব প্রয়োগ ও সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিয়ে আলোচনা করেন।

কর্মশালায় দেশের বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, অর্থনীতিবিদ ও গবেষকরা অংশগ্রহণ করেন। উন্মুক্ত আলোচনা ও প্রশ্নোত্তর পর্বে অংশগ্রহণকারীরা মুদ্রানীতির বিভিন্ন দিক নিয়ে নিজেদের মতামত ও অভিজ্ঞতা বিনিময় করেন।

জেএইচআর