এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নের (আকু) মার্চ ও এপ্রিল মাসের আমদানি বিল পরিশোধ করেছে বাংলাদেশ। এর ফলে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে।
রোববার বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান রিজার্ভের এই সর্বশেষ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত দুই মাসের আকুর বিল বাবদ ১ হাজার ৫১৪ দশমিক ৯৪ মিলিয়ন বা প্রায় ১ দশমিক ৫১ বিলিয়ন ডলার পরিশোধ করা হয়েছে। এই অর্থ পরিশোধের পর ১০ মে পর্যন্ত দেশের গ্রস (মোট) রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩৪ হাজার ১৪০ দশমিক ০২ মিলিয়ন বা ৩৪ দশমিক ১৪ বিলিয়ন ডলারে। এর আগে গত ৭ মে পর্যন্ত গ্রস রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ৩৫ দশমিক ৬১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাব পদ্ধতি বিপিএম-৬ অনুযায়ী বাংলাদেশের বর্তমান রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২৯ হাজার ৪৭৯ দশমিক ২৭ মিলিয়ন বা ২৯ দশমিক ৪৭ বিলিয়ন ডলারে।
উল্লেখ্য, ৭ মে পর্যন্ত এই পদ্ধতিতে রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ৩০ দশমিক ৯৬ বিলিয়ন ডলার। সাধারণত মোট রিজার্ভ থেকে স্বল্পমেয়াদি দায় বিয়োগ করে আইএমএফের এই বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে নিট বা প্রকৃত রিজার্ভ গণনা করা হয়।
এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়ন বা আকু হলো এশিয়ার ৯টি দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মধ্যকার একটি আন্তঃআঞ্চলিক লেনদেন নিষ্পত্তি ব্যবস্থা। বাংলাদেশ ছাড়াও ভারত, ইরান, নেপাল, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, মিয়ানমার, ভুটান ও মালদ্বীপ এই ব্যবস্থার সদস্য।
সদস্য দেশগুলোর মধ্যে আমদানি-রফতানি বাণিজ্যের বিল প্রতি দুই মাস অন্তর এই ব্যবস্থার মাধ্যমে পরিশোধ করা হয়। ১৯৭৪ সালে প্রতিষ্ঠিত এই সংস্থার সদর দফতর ইরানের তেহরানে অবস্থিত। নিয়মিত বিল পরিশোধের কারণে সাময়িকভাবে রিজার্ভে এই প্রভাব পড়ে।
জেএইচআর
আমার সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন