সিপিডি

বাজেটে উচ্চাকাঙ্ক্ষী পরিকল্পনা, বাস্তবায়নই মূল চ্যালেঞ্জ

আমার সংবাদ ডেস্ক প্রকাশিত: জুন ১২, ২০২৬, ১২:১৪ পিএম
বাজেটে উচ্চাকাঙ্ক্ষী পরিকল্পনা, বাস্তবায়নই মূল চ্যালেঞ্জ

২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেটে উচ্চাকাঙ্ক্ষী পরিকল্পনার প্রতিফলন দেখা গেলেও এর সফল বাস্তবায়নই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ বলে মনে করছে গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)। সংস্থাটির মতে, প্রশাসনিক আধুনিকায়ন, অটোমেশন এবং কাঠামোগত সংস্কার ছাড়া রাজস্ব আদায়ের নির্ধারিত লক্ষ্য অর্জন কঠিন হবে।

শুক্রবার (১২ জুন) সিপিডি আয়োজিত ‘২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট পরবর্তী প্রতিক্রিয়া’ শীর্ষক সভায় এসব মন্তব্য করেন সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন।

তিনি বলেন, উন্নয়ন বাজেটে থোক বরাদ্দ উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে ব্যয় ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত না হলে কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া যাবে না। একই সঙ্গে ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে সরকারের ঋণ গ্রহণ বাড়লে বেসরকারি খাতের বিনিয়োগে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে বলেও তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন।

বিদেশি ঋণ প্রসঙ্গে ড. ফাহমিদা খাতুন বলেন, সুশাসন ও স্বচ্ছতার সঙ্গে বিদেশি ঋণ ব্যবহার না করা হলে ভবিষ্যতে ঋণ পরিশোধের চাপ আরও বৃদ্ধি পাবে।

মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের বিষয়ে তিনি বলেন, আগামী অর্থবছরে মূল্যস্ফীতি ৭ দশমিক ৫ শতাংশে নামিয়ে আনতে খাদ্য ও জ্বালানির সরবরাহ বৃদ্ধি এবং কার্যকর ও বাস্তবসম্মত মুদ্রানীতি গ্রহণ জরুরি। এ লক্ষ্য অর্জনে সংকোচনমূলক মুদ্রানীতি আরও কিছু সময় অব্যাহত রাখার প্রয়োজন রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, সরকারি ব্যয়ের মাধ্যমে উৎপাদন ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধি না হলে মূল্যস্ফীতি কমানোর লক্ষ্য অর্জন করা কঠিন হবে। শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধিকে ইতিবাচক হিসেবে উল্লেখ করলেও কৃষি খাতে বরাদ্দ কমে যাওয়াকে উদ্বেগজনক বলে মন্তব্য করেন তিনি।

সিপিডির নির্বাহী পরিচালক বলেন, বর্তমান উচ্চ মূল্যস্ফীতির প্রেক্ষাপটে নিম্নআয়ের মানুষের ওপর করের চাপ বেড়েছে। এ অবস্থায় করমুক্ত আয়সীমা আরও বাড়ানোর সুযোগ ছিল।

এ ছাড়া বাজেটে করের ক্ষেত্রে ব্যাপক ছাড়ের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, দেশীয় শিল্পের জন্য কর রেয়াত এবং আমদানি পর্যায়ে বিভিন্ন কর সুবিধা রাখা হয়েছে। পাশাপাশি উৎপাদন বৃদ্ধি ও নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির উদ্যোগও ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

এম জি