বাংলাদেশ টেক্সটাইল ইউনিভার্সিটি ( বুটেক্স) এর ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. শাহ আলিমুজ্জামান (বেলাল) এর পদত্যাগের দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা, কর্মচারীরা বিক্ষোভ ও ধর্মঘট করে যাচ্ছে।
শাহ আলিমুজ্জামান বুটেক্স এর সিনিয়র প্রফেসরকে টপকে বঙ্গবন্ধু ফেলোশিপ নিয়ে ফ্যাসিবাদের কোটায় ভিসি নিযুক্ত হোন। বিশ্ববিদ্যালয় যোগদান করার পরে ছাত্রলীগের সাথে একত্রিত হয়ে ইউনিভার্সিটিকে একটি ক্ষমতার কেন্দ্রে রুপান্তর করেন। যেসকল কর্মকর্তারা তার কথায় একমত না হতেন তাদের বিরুদ্ধে নানারকম নিপিড়ন মূলক সিদ্ধান্ত নিতেন। ভিসি হতে তিনি মোটা অঙ্কের অর্থ প্রদান করেছিলেন দিপু মনির কাছে।
বিগত ফ্যাসিস্ট পতনের ছাত্র আন্দোলনে তার ভূমিকা ছিল নগ্ন। তিনি শেখ হাসিনা এবং কামালের ঘনিষ্ঠ জন হবার কারনে সাধারণ ছাত্রদের উপর প্রশাসনের নির্যাতন ডেকে আনেন। ক্যাম্পাস থেকে সকলকে বের করে দেন এবং প্রশাসনের বলপ্রয়োগ সমর্থন করেন। কয়েক জনের সাথে কথা বলে এবং তথ্য প্রমানের ভিত্তিতে জানা যায় তিনি ছাত্র আন্দোলন থামানোর জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কোষাগার থেকে ছাত্রলীগের হাতে বিপুল অর্থ তুলে দেন।
এছাড়াও তিনি গণভবনে হাসিনার কিলিং মিশন বাস্তবায়ন মিটিংয়ে উপস্থিত থাকেন যাহা অনেক গুলো টিভি মিডিয়া থেকে নিশ্চিত হওয়া গিয়েছে।
এছাড়াও অন্যান্য শিক্ষকরা ছাত্রদের পাশে দাঁড়িয়ে মানবন্ধন করতে চাইলে সবাইকে চাকরিচ্যুত করতে হুমকি প্রদান করেন। নিজে ছাত্র- আন্দোলন বিরোধী মানববন্ধন করা উদ্যোগ নেন।
ঢাকার সকল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসিগন পদত্যাগ করলেও বুটেক্স ভিসি তার দাপটে টিকে আছেন এবং নিজেকে জামায়াত কিংবা বিএনপি বলে পরিচয় দিচ্ছেন। সাধারণ শিক্ষার্থী এবং কর্মকর্তা / কর্মচারীরা তার পদত্যাগের জন্য রবিবার পর্যন্ত সময় বেঁধে দিয়েছেন। এর আগে সপ্তাহ জুড়েই আন্দোলন অব্যাহত রয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয় জুড়ে সকলের দাবি ফ্যাসিবাদের সমর্থক / ছাত্র হত্যার সহযোগী কোন প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বে থাকতে পারবে না।
বিআরইউ
আমার সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন