চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) শিক্ষার্থীদের সঙ্গে স্থানীয় বাসিন্দাদের সংঘর্ষের ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় পুলিশ, র্যাব ও সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।
রোববার বিকেল পৌনে ৪টার দিকে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন যৌথ বাহিনীর সদস্যরা।
এর আগে বিকেল ৩টার দিকে হাটহাজারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মুমিন বিশ্ববিদ্যালয় এলাকার ২ নম্বর গেট থেকে রেলগেট পর্যন্ত রাস্তার উভয় পাশে ১৪৪ ধারা জারি করেন।
সংঘর্ষ প্রসঙ্গে ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের শিক্ষার্থী মিলন হোসেন সরকার ঢাকা পোস্টকে বলেন, “আজ সকাল থেকেই স্থানীয় বাসিন্দারা আমাদের ওপর হামলা চালাচ্ছিল। বাসায় বাসায় আক্রমণ করা হচ্ছিল।
দুপুর ১২টার দিকে স্থানীয়দের সঙ্গে সমঝোতা করতে গেলে প্রক্টর ও উপউপাচার্য প্রশাসন আহত হন। সেই সময়ে শিক্ষার্থীদের পাশে কোনো আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ছিল না। যৌথ বাহিনী ৪টার দিকে আসে। তারা আগে আসলে অনেক শিক্ষার্থী আহত হতো না। এ দায় সরকারকে নিতে হবে।”
উপউপাচার্য (অ্যাকাডেমিক) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শামীম উদ্দিন, উপউপাচার্য প্রশাসন অধ্যাপক ড. মো. কামাল উদ্দিন ও প্রক্টর অধ্যাপক ড. তানভীর মোহাম্মদ হায়দার আরিফও এই ঘটনায় আহত হয়েছেন। সংঘর্ষ চলাকালে স্থানীয় লোকজন শিক্ষার্থীদের ওপর ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেন এবং উভয় পক্ষ মারামারিতে জড়িয়ে পড়ে।
এই সংঘর্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় দেড় শতাধিক শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন, যার মধ্যে প্রায় ৩০ জন গুরুতর আহত।
ইএইচ
আমার সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন