বিসিএস পরীক্ষার্থীদের জন্য ফ্রি বাস সার্ভিস চালু করল মাভাবিপ্রবি ছাত্রদল

বিজয় সরকার, মাভাবিপ্রবি প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৫, ০১:১১ পিএম
বিসিএস পরীক্ষার্থীদের জন্য ফ্রি বাস সার্ভিস চালু করল মাভাবিপ্রবি ছাত্রদল

৪৭তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষার্থীদের জন্য ফ্রি বাস সার্ভিস চালুর উদ্যোগ নিয়েছে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (মাভাবিপ্রবি) শাখা। 

বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস থেকে ঢাকা ও ময়মনসিংহের পরীক্ষাকেন্দ্রে শিক্ষার্থীদের নির্বিঘ্নে পৌঁছে দিতে এ বিশেষ যাতায়াত সুবিধার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

শাখা ছাত্রদল সূত্রে জানা যায়, ক্যাম্পাস থেকে দুটি বাস ছাড়বে—একটি ঢাকা রুটে এবং অন্যটি ময়মনসিংহ রুটে। প্রতিটি বাসে ৫০ জন করে মোট ১০০ জন শিক্ষার্থী এ সেবার আওতায় যাতায়াত করতে পারবেন। এজন্য শিক্ষার্থীদের অবশ্যই আগাম রেজিস্ট্রেশন করতে হবে।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত গুগল ফর্মের মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন করা যাবে। রেজিস্ট্রেশন ছাড়া কেউ এ সার্ভিস নিতে পারবে না।

বুধবার রাতে শাখা ছাত্রদলের কর্মী নাফিস ইকবাল পিয়াল বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি ফেসবুক গ্রুপে এ তথ্য জানিয়ে পোস্ট দেন। পাশাপাশি শাখা সভাপতি সাগর নাইম ও সাধারণ সম্পাদক সাজিদ ইসলাম দীপুও তাদের ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে পোস্ট দিয়ে পরীক্ষার্থীদের এই সুযোগ গ্রহণের আহ্বান জানান।

শাখা সভাপতি সাগর নাইম তার পোস্টে লিখেন, “প্রতি বছর বিসিএসে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা সাফল্যের আলো ছড়িয়ে দেন। আমরা চাই এই সুনাম আরও উজ্জ্বল হোক। এই সাফল্যের ধারাবাহিকতায় মাভাবিপ্রবি ছাত্রদল ৪৭তম বিসিএস পরীক্ষার্থীদের জন্য ফ্রি বিশেষ বাস সার্ভিসের ব্যবস্থা করেছে।”

শাখা সাধারণ সম্পাদক সাজিদ ইসলাম দীপু বলেন, “জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল সবসময় শিক্ষার্থীদের কল্যাণে কাজ করে। গত বিসিএসে আমাদের বড় ভাই বিসিএস প্রশাসনে প্রথম হয়েছেন, যা সবার জন্যই গর্বের। সেই সাফল্যের ধারা অব্যাহত রাখতে আমরা পরীক্ষার্থীদের জন্য এ ফ্রি বাস সার্ভিস চালু করেছি।”

তিনি আরও বলেন, “বিশেষ করে অনেক নারী শিক্ষার্থী আছেন যারা পরীক্ষাকেন্দ্র দূরে হওয়ায় সমস্যায় পড়েন। অনেকে যানবাহনের অভাবে দেরি করে পৌঁছান। যাতে কেউ যাতায়াত সমস্যার কারণে পরীক্ষায় পিছিয়ে না পড়ে, সেই লক্ষ্যেই বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু ভাইয়ের সহায়তায় এ বাস সার্ভিস চালু করা হয়েছে।”

শিক্ষার্থীদের জন্য এ উদ্যোগ ইতোমধ্যেই বিশ্ববিদ্যালয়জুড়ে প্রশংসা কুড়িয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেক শিক্ষার্থী এটিকে ‘শিক্ষার্থীবান্ধব ও সময়োপযোগী উদ্যোগ’ হিসেবে অভিহিত করেছেন।

ইএইচ