বর্তমান প্রতিযোগিতামূলক চাকরির বাজারে শুধু একটি ডিগ্রি অর্জন করলেই আর টিকে থাকা সম্ভব নয়; বরং প্রয়োজন কারিগরি দক্ষতা, আধুনিক প্রযুক্তিগত জ্ঞান এবং শক্ত নৈতিক মূল্যবোধের সমন্বয়। চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের প্রেক্ষাপটে ব্যবসায় প্রশাসন শিক্ষাকে সময়োপযোগী, বাস্তবমুখী ও বৈশ্বিক মানসম্পন্ন করে গড়ে তুলতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (ডিআইইউ)। এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে বিশ্ববিদ্যালয়টির ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদ কীভাবে পাঠ্যক্রম উন্নয়ন, ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া কোলাবোরেশন এবং শিক্ষার্থীদের দক্ষ মানবসম্পদে রূপান্তরের উদ্যোগ গ্রহণ করছে সেসব প্রসঙ্গ নিয়ে কথা হয় বিশ্ববিদ্যালয়টির ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের ডিন ও ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের চেয়ারম্যান মোহাম্মাদ আজমির হোসেনের সঙ্গে। একান্ত এই সাক্ষাৎকারে তিনি উন্মোচন করেন এ অনুষদের
শিক্ষা কার্যক্রম, ইন্টার্নশিপ ও শিল্পখাতের সঙ্গে সংযুক্তি, সংকট ও সম্ভাবনার বিচিত্র অধ্যায়৷ তার মুখোমুখি হয়েছিলেন আমার সংবাদের ডিআইইউ প্রতিনিধি আবুল খায়ের।
আমার সংবাদ: ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের মূল শিক্ষাগত দর্শন কী?
আজমির হোসেন: ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের মূল দর্শন হলো ব্যবসায় শিক্ষা মানে কেবল গতানুগতিক পদ্ধতিতে সিলেবাস শেষ করা বা ডিগ্রি অর্জন করা নয়; বরং নতুন উদ্ভাবনী চিন্তাশক্তি, প্রযুক্তি নির্ভর বিশ্লেষণী দক্ষতা, আদর্শ সুনাগরিক গুণাবলি অর্জন, সামাজিক নৈতিকতা ও কর্মেক্ষেত্রে নেতৃত্বের সমন্বিত বিকাশ। DIU মনে করে, একজন সফল ব্যবসায় শিক্ষায় গ্র্যাজুয়েট হতে হলে তাকে আধুনিক বিশ্বের কী জানে, নতুন কী করতে পারে এবং চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কীভাবে সিদ্ধান্ত নেয় এই তিনটি বিষয়েই দক্ষ হতে হবে। তাই “জ্ঞান + দক্ষতা + মূল্যবোধ”–এই তিন সম্মিলিত দর্শনের ভিত্তিতেই এখানে ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
আমার সংবাদ: বাংলাদেশে ব্যবসায় প্রশাসন শিক্ষা বর্তমানে বাস্তবতার সাথে কতটা সামঞ্জস্যপূর্ণ, আপনি কি মনে করেন?
আজমির হোসেন: বাংলাদেশে ব্যবসায় প্রশাসন শিক্ষা এখনো অনেকাংশেই গতানুগতিক থিওরি নির্ভর ও পরীক্ষাভিত্তিক। যদিও সাম্প্রতিক সময়ে অনেক সরকারি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ওবিই কারিকুলাম অনুযায়ী এই সিস্টেম পরিবর্তনের আভাস দেখা যাচ্ছে। সেইসাথে বিএসি এর এক্রিডিটেশান নীতিমালায় ব্যবসায় শিক্ষার একাডেমিক এবং ইন্ডাস্ট্রি কোলাবরেশান এর মাধ্যমে বাস্তবসম্মত ব্যবসা জগতের গতির সাথে হাতে কলমে প্রযুক্তি ও প্রতিযোগিতার শিক্ষা দেয়া হচ্ছে।
ডিআইইউ মনে করে, এই ব্যবধান গতানুগতিক পদ্ধতি ও ওবিই শিক্ষার গ্যাপ কমাতে হলে ইন্ডাস্ট্রি–ভিত্তিক কেস স্টাডি, সফট স্কিল, ডিজিটাল টুলস এবং বাস্তব সমস্যা সমাধানমূলক কলাকৌশল শেখানো বাধ্যতামূলক করতে হবে।
আমার সংবাদ: ডিআইইউ ব্যবসায় প্রশাসন কারিকুলামে বাস্তবমুখী শিক্ষার প্রতিফলন এবং শিক্ষার্থীদের ইন্টার্নশিপ ও ইন্ডাস্ট্রি এক্সপোজারের মাধ্যমে পেশাদার জগতের জন্য প্রস্তুত করতে কী কী কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে?
আজমির হোসেন: ডিআইইউর ব্যবসায় প্রশাসন কারিকুলাম এমনভাবে ডিজাইন করা হয়েছে যাতে এক ঝাক অভিজ্ঞ ও তরুন শিক্ষকদের সমন্বয়ে এবং দেশ বরেন্য শিক্ষাবিদ অধ্যাপক মো. সেলিম ভুইয়া স্যার এর সরাসরি দিক নির্দেশনায় শিক্ষার্থীরা ক্লাসরুমেই বাস্তব ব্যবসার অভিজ্ঞতা পায়। লাইভ কেস স্টাডি, বাধ্যতামূলক ইন্টার্নশিপ, ইন্ডাস্ট্রি ভিজিট, কর্পোরেট গেস্ট লেকচার, ইন্টারন্যাশনাল লেকচার, ওয়েবিনার, সেমিনার, গ্রুপ প্রজেক্ট, ওয়ার্কশপ ও রিয়েল–লাইফ সমস্যা বিশ্লেষণের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা ধাপে ধাপে পেশাদার জগতের জন্য প্রস্তুত হয়।
আমার সংবাদ: সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের কারিকুলামের যে পার্থক্য নিয়ে আলোচনা হয় ডিআইইউ সেখানে নিজেকে কীভাবে আলাদা করতে চায়?
আজমির হোসেন: ডিআইইউর বড় শক্তি হলো ওবিই কারিকুলামের নমনীয়তা ও রেগুলার ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় আপডেট করার সক্ষমতা। যেখানে অনেক সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে কারিকুলাম পরিবর্তনে সময় লাগে, সেখানে ডিআইইউ দ্রুত বাজারের চাহিদা অনুযায়ী নতুন কোর্স, কনটেন্ট, টপিক৷
সফটওয়্যার, প্রেজেন্টেশন স্কিল, কমিউনিকেশন ও সমস্যা সমাধানভিত্তিক শিক্ষাকে অন্তর্ভুক্ত করে প্রতিযোগিতামুলক শিক্ষা ব্যবস্থায় নিজেকে অনেক বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আলাদা করছে। এখানে উল্লেখ্য যে, বাংলাদেশের সকল বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ডিআইইউ এর বিবিএ প্রোগ্রাম ৫নং অবস্থানে বিএসি এর এক্রিডিটেশানের জন্য চুড়ান্ত এপ্লিকেশন করেছে।
আমার সংবাদ: কর্পোরেট সেক্টর কি এখনো বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম দেখে, নাকি দক্ষতাকেই বেশি গুরুত্ব দেয় আপনার অভিজ্ঞতা কী বলে?
আজমির হোসেন: বর্তমান কর্পোরেট জগতে শুধুমাত্র বড় ও বিখ্যাত বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম নয়, বরং ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের ছাত্রছাত্রীদের বাস্তব দক্ষতা, প্রেসার নিয়ে কাজ করার মানসিকতা ও টিম বিল্ডিং এর মাধ্যমে কাজ করার সক্ষমতাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। বিখ্যাত বিশ্ববিদ্যালয়কে নাম হয়তো প্রথম সুযোগ এনে দিতে পারে, কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে টিকে থাকতে হলে প্রয়োজন ডিআইইউ এর ছাত্রছাত্রীদের মত বাস্তব দক্ষতা, সময়ানুবর্তিতা, টিমওয়ার্ক ও পেশাদার আচরণ শিক্ষালাভ করা। এইক্ষেত্রে এখানকার শিক্ষকগণ অতুলনীয়।
আমার সংবাদ: ডিআইইউ কি নিজেকে শুধুই কর্পোরেট চাকরির প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান হিসেবে দেখে, নাকি গবেষণা ও একাডেমিক ভবিষ্যতের দিকেও গুরুত্ব দেয়?
আজমির হোসেন: ডিআইইউ নিজেকে শুধুমাত্র চাকরির জন্য মানুষ তৈরির কারখানা মনে করে না। বরং এখানে শিক্ষার্থীদের উদ্যোক্তা, গবেষক, সোস্যাল ডেভেলপার, দেশীয় ও আন্তর্জাতিক লিডার, শিক্ষক ও পলিসি–থিংকার হিসেবে গড়ে তোলার দিকেও সমান গুরুত্ব দেওয়া হয়। শিক্ষক ও ছাত্রছাত্রীদের গবেষণা কার্যক্রম, একাডেমিক লেখা, কনফারেন্স ও জার্নাল পাবলিকেশনকে উৎসাহিত করা হয়।
আমার সংবাদ: ডিন হিসেবে ফ্যাকাল্টি ডেভেলপমেন্ট ও গবেষণাকে আপনি কীভাবে অগ্রাধিকার দিচ্ছেন এবং একইসাথে আন্তর্জাতিক মানের আউটকাম-বেসড এডুকেশন (ওবিই) নিশ্চিত করতে ডিআইইউ কী ধরনের কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করছে?
আজমির হোসেন: ডিআইইউ নিয়মিত ফ্যাকাল্টি ট্রেনিং, গবেষণা অনুদান, একাডেমিক ওয়ার্কশপ, সেমিনার, ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স এবং আন্তর্জাতিক মানের আউটকাম-বেসড এডুকেশন (ওবিই) অনুসরণ করছে। কোর্স ডিজাইন থেকে শুরু করে মূল্যায়ন পদ্ধতি পর্যন্ত সবকিছু শিক্ষার্থীদের শেখার ফলাফলকে কেন্দ্র করে সাজানো।
আমার সংবাদ: বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ব্যবসায় প্রশাসন শিক্ষার সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ কী বলে আপনি মনে করেন?
আজমির হোসেন: সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো সামাজিক ও মানসিক বাধা। অনেক সময় ভালো মানের শিক্ষা ও ফলাফল থাকা সত্ত্বেও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো প্রত্যাশিত স্বীকৃতি পায় না। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এই ধারণা ভাঙাই এখন প্রধান চ্যালেঞ্জ।
আমার সংবাদ: আগামী পাঁচ বছরে ডিআইইউ–এর ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগকে আপনি কোথায় দেখতে চান?
আজমির হোসেন: আগামী পাঁচ বছরে ডিআইইউ ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগকে বাংলাদেশ এক্রিডিটেশান কাউন্সিল স্বীকৃত এবং বিশব্বিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন অনুমোদিত একটি প্র্যাকটিস–ওরিয়েন্টেড, গবেষণাবান্ধব এবং আন্তর্জাতিকভাবে গ্রহণযোগ্য একাডেমিক সেন্টার হিসেবে দেখতে চায়।
আমার সংবাদ: এআই, ডেটা অ্যানালিটিক্স ও ডিজিটাল অর্থনীতির যুগে ব্যবসায় প্রশাসন শিক্ষাকে কীভাবে পুনর্গঠন করার পরিকল্পনা রয়েছে?
আজমির হোসেন: এখন আন্তর্জাতিক বিশ্বের গ্লোবালাইজেশন কনসেপ্ট অনুযায়ী এআই, ডেটা অ্যানালিটিক্স, ডিজিটাল মার্কেটিং, ই–কমার্স ও ফিনটেক এখন ব্যবসায় শিক্ষার অবিচ্ছেদ্য অংশ। ডিআইইউ এই পরিবর্তনকে গ্রহণ করে ভবিষ্যৎ–কেন্দ্রিক কারিকুলাম গড়ে তুলছে, যাতে শিক্ষার্থীরা আগামী দিনের চাকরির বাজারে সব ধরনের প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে পারে।
আমার সংবাদ: চাকরি বাজারে এখনো কি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্র্যাজুয়েটরা এগিয়ে নাকি বাস্তব দক্ষতার কারণে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা দ্রুত জায়গা করে নিচ্ছে?
আজমির হোসেন: বর্তমানে চাকরি বাজারে আর সরকারি–বেসরকারি বিভাজন নেই। যারা স্কিলড, যোগ্য, অভিজ্ঞ, স্মার্ট, প্রযুক্তি–সচেতন ও আত্মবিশ্বাসী—তারাই এগিয়ে যাচ্ছে, যে বিশ্ববিদ্যালয় থেকেই আসুক না কেন। সেই হিসাবে ডিআইইউ এর ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের বিবিএ ও এমবিএ শিক্ষা আলোর পথ দেখাচ্ছে।
আমার সংবাদ: এই প্রতিযোগিতায় ডিআইইউ–এর ব্যবসায় প্রশাসন গ্র্যাজুয়েটরা কোন জায়গায় শক্ত বলে আপনি মনে করেন?
আজমির হোসেন: ডিআইইউ গ্র্যাজুয়েটরা বিশেষভাবে কমিউনিকেশন স্কিলে দক্ষতাসম্পন্ন, বাস্তব কাজের অভিজ্ঞতা, অভিযোজন ক্ষমতা এবং কর্পোরেট আচরণে দীক্ষা প্রাপ্ত বলে তাদের দ্রুত কর্মক্ষেত্রে মানিয়ে নিতে সাহায্য করে।
আমার সংবাদ: অভিভাবকদের মনে সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সেরা বলে যে প্রচলিত ধারণা রয়েছে, তাকে ডিআইইউ কীভাবে চ্যালেঞ্জ করছে এবং ভবিষ্যতে বিশ্ববিদ্যালয়ের এই বিভাজন কাটিয়ে গুণগত মানই মুখ্য হয়ে উঠবে কি?
আজমির হোসেন: ডিআইইউ তার সফল অ্যালামনাই, কর্পোরেট প্লেসমেন্ট, ইন্ডাস্ট্রি পার্টনার, আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি ও ধারাবাহিক ফলাফলের মাধ্যমে প্রমাণ করছে—বিশ্ববিদ্যালয়ের ধরন নয়, আধুনিক যুগোপযোগী মানসম্মত শিক্ষাই এই শতাব্দীর আসল পরিচয়।
আমার সংবাদ: আগামী পাঁচ বছরে সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন শিক্ষার ব্যবধান কীভাবে রদবদল করবে বলে আপনি মনে করেন?
আজমির হোসেন: আগামী পাচ বছরে সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের শিক্ষার এই সময়ের যে প্রথাগত ব্যবধান তা আরও অনেক কমবে। গবেষণা, দক্ষতা, আউটকাম ও আন্তর্জাতিক মান—এই বিষয়গুলোই মূল বিবেচ্য বিষয় হিসেবে স্বীকৃত হবে।
আমার সংবাদ: সেই পরিবর্তিত বাস্তবতায় ডিআইইউ নিজেকে কোথায় দেখতে চায়?
আজমির হোসেন: সেই পরিবর্ততিত বাস্তবতায় ডিআইইউ নিজেকে একটি শিক্ষার্থী বান্ধব, শিক্ষার্থী কেন্দ্রিক, আধুনিক মানসম্পন্ন, উদ্ভাবনী ও বিশ্বাসযোগ্য ব্যবসায় শিক্ষা হাব হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে চায়।
আমার সংবাদ: আগামী দিনে ব্যবসায় প্রশাসন শিক্ষার ক্ষেত্রে আপনি সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ বা ঝুঁকি এবং সবচেয়ে বড় নতুন সম্ভাবনা কোনটিকে মনে করেন?
ড. আজমির হোসেন: আগামী দিনে ব্যবসায় প্রশাসন শিক্ষার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ বা ঝুঁকি হলো প্রযুক্তির দ্রুত পরিবর্তনের সাথে তাল মিলিয়ে ব্যবসায় শিক্ষাব্যবস্থা আপডেট রাখা। আর সবচেয়ে বড় সম্ভাবনা হলো গ্লোবাল ডিজিটাল অর্থনীতির জন্য দক্ষ, নৈতিক ও নেতৃত্বগুণসম্পন্ন মানবসম্পদ তৈরি করা।
আমার সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন