যবিপ্রবিতে ২ দিনব্যাপী গবেষণা ও উচ্চশিক্ষা বিষয়ক কর্মশালা শুরু

যবিপ্রবি প্রতিনিধি প্রকাশিত: মে ১৭, ২০২৬, ০৮:২৮ পিএম
যবিপ্রবিতে ২ দিনব্যাপী গবেষণা ও উচ্চশিক্ষা বিষয়ক কর্মশালা শুরু

শিক্ষার্থীদের গবেষণামুখী, উচ্চশিক্ষায় আগ্রহী ও প্রবন্ধ প্রকাশনা বিষয়ক ধারণা সৃষ্টির লক্ষ্যে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (যবিপ্রবি) শুরু হয়েছে ২ দিনব্যাপী গবেষণা বিষয়ক কর্মশালা।

রোববার দুপুর ২টায় যবিপ্রবি রিসার্চ সোসাইটির আয়োজনে স্যার জগদীশ চন্দ্র বসু একাডেমিক ভবনের প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের গ্যালারিতে এ কর্মশালা শুরু হয়।

কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন যবিপ্রবি রিসার্চ সেলের সহকারী পরিচালক ড. মো. জহুরুল ইসলাম, জিনোম সেন্টারের সহকারী পরিচালক ড. মো. আলাউদ্দিন, ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক ড. মো. রাফিউল হাসান, পরিবেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক তাপস কুমার চক্রবর্তী এবং যবিপ্রবি রিসার্চ সোসাইটির সভাপতি রুহুল আমিন ও সাধারণ সম্পাদক জাহিদ হাসান।

গবেষণা ও প্রবন্ধ প্রকাশনা বিষয়ে আলোচনাকালে তাপস কুমার চক্রবর্তী বলেন, রিসার্চ করতে হলে আমাদের অনেকগুলো সমন্বিত বিষয়ে নিয়মমাফিক ধারাবাহিকভাবে কাজ করতে হয়। প্রেজেন্টেশন, সফটওয়্যার ও ল্যাবরেটরির সমন্বিত মিথস্ক্রিয়া হলো রিসার্চ। আগে নির্দিষ্ট বিষয়ের ক্যারিয়ারকেন্দ্রিক সুস্পষ্ট ধারণা থাকতে হবে। নিজের টার্গেট স্থির রেখে সেটি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কাজ শুরু করতে হবে। বিভিন্ন জার্নাল পেপার থেকে তোমরা অনেক বিষয়ে ধারণা নিতে পারো। সবসময় সমসাময়িক সমস্যার বিষয়ে রিসার্চ করলে সেটি বিশ্বে বেশি গ্রহণযোগ্যতা পাবে। মনে রাখবে, নতুনত্বই আকর্ষণ; তাই রিসার্চের উদ্দেশ্য হবে সবসময় নতুন কিছু সামনে আনা। দেশের ও জনগণের উপকারে আসে এমন গবেষণায় মনোনিবেশ জরুরি। রিসার্চের টপিক ঠিক করা, সুপারভাইজারের নিকট সে বিষয়ে ধারণা নেওয়া, সে বিষয়ে পড়াশোনা করা, সঠিক নিয়মে রিসার্চ শুরু ও তা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করলে সেই রিসার্চ ফলপ্রসূ হবে। ইথিক্যাল অ্যাপ্রুভালের প্রয়োজন হলে সঠিক নিয়মে সে অনুযায়ী অনুমতি নিতে হবে। তোমরা রিভিউ আর্টিকেলও লিখতে পারো, যেখানে একটি পেপার থেকে অনেক তথ্য পাওয়া যায়।

কর্মশালায় ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক এবং যবিপ্রবি রিসার্চ সোসাইটির উপদেষ্টা ড. মো. রাফিউল হাসান বলেন, তোমাদের এখন উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার জন্য যথেষ্ট সুযোগ-সুবিধা রয়েছে। ল্যাব সুবিধা ও শিক্ষকদের সহযোগিতা সর্বদা বিদ্যমান। তোমাদের জন্য সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত, মেধা ও পরিশ্রম দিয়ে সম্ভাবনার চূড়ান্ত শিখরে পৌঁছাতে হবে। প্রত্যেকের ভেতরের সুপ্ত প্রতিভাকে জাগ্রত করতে হবে। অ্যালামনাই বড় ভাই-বোনেরা সার্বিক দিকনির্দেশনার জন্য যথেষ্ট আগ্রহী। তবে উচ্চশিক্ষা ও স্কলারশিপের পথে প্রধান বাধা ইংরেজি ভাষার দুর্বলতা। নিজের প্রতিটি অর্জন সিভিকে শক্তিশালী করবে, সেমিনারে পাওয়া বেস্ট অ্যাওয়ার্ডও এক্ষেত্রে এগিয়ে রাখবে। স্কলারশিপে আবেদনের ক্ষেত্রে ডকুমেন্টস ভালোভাবে সংরক্ষণ করতে হবে এবং আপলোডের আগে সতর্কভাবে যাচাই করতে হবে।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ফিশারিজ অ্যান্ড মেরিন বায়োসায়েন্স বিভাগের শিক্ষার্থী আখতার উজ জামান ও সাদ্দ্রিতা সরকার শশী।

এএন