বলিউড তারকা ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন শুধু অভিনয়জীবনেই নন, মেয়েকে বড় করার ক্ষেত্রেও স্থিতিশীল, দায়িত্বশীল ও স্নেহশীল এক মায়ের উদাহরণ।
তার অভিজ্ঞতা এবং আচরণ থেকে নেওয়া কিছু শেখা আজকের প্রজন্মের বাবা–মায়ের জন্য অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক। নিচে উল্লেখ করা হলো ঐশ্বরিয়া রাইয়ের পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ সন্তান লালন–পালনের শিক্ষা।
সন্তানের আত্মবিশ্বাস গড়ে তোলা: ঐশ্বরিয়া রাই মনে করেন, আত্মবিশ্বাস শিশুর মানসিক বিকাশের মূল ভিত্তি। একজন অভিভাবক নিজে আত্মবিশ্বাসী থাকলে তার ইতিবাচক প্রভাব সন্তানের মাঝেও পড়ে। তাই সন্তানের সামনে সবসময় দৃঢ়, শান্ত ও ইতিবাচক থাকা জরুরি।
সীমিত নিয়ম রাখুন: তার মতে, সন্তানদের জন্য অতিরিক্ত কঠোর নিয়মের প্রয়োজন নেই। কিছু মৌলিক নীতি থাকলেও সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো সন্তানের সুখ, স্বাস্থ্যের নিরাপত্তা এবং মানসিক স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করা।
ইতিবাচক মনোভাব তৈরি করা: ঐশ্বরিয়া রাই নিজে যতটা সম্ভব ইতিবাচক চিন্তা করেন এবং চান তাঁর মেয়েও প্রতিকূলতার মধ্যেও ভালো দিক খুঁজে নিতে শিখুক। এমন মনোভাব সন্তানের আত্মবিশ্বাস বাড়ায় এবং জীবনের বড় চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সহায়তা করে।
যত্নশীল ও উপস্থিত থাকা অভিভাবক হওয়া: তিনি মেয়েকে সময় দেওয়ার বিষয়ে সবসময় গুরুত্ব দেন—স্কুলের কাজ, বন্ধুদের সঙ্গে খেলাধুলা, কিংবা দৈনন্দিন জীবনের ছোট খাটো মুহূর্তে পাশে থাকা। ঐশ্বরিয়া রাইয়ের বিশ্বাস, সন্তানের প্রয়োজন বোঝা ও তার সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করা খুবই জরুরি।
সন্তানের কৌতূহলকে সম্মান করা: আজকের শিশু অনেক প্রশ্ন করে, জিজ্ঞাসা করে, শিখতে চায়। ঐশ্বর্যের মতে, সন্তানের কৌতূহল দমন না করে বরং তাদের প্রশ্নের উত্তর দেওয়া এবং কৌতূহলকে গুরুত্ব দেওয়া উচিত। এতে সন্তান মুক্তভাবে শেখার সুযোগ পায় এবং বাবা–মায়ের সঙ্গে সম্পর্কও আরও বিশ্বাসভাজন হয়।
ঐশ্বরিয়া রাই’র পরামর্শগুলো আজকের ব্যস্ত জীবনে সন্তানকে ভালোভাবে বড় করতে চাওয়া সব বাবা–মায়ের জন্য অনুপ্রেরণাদায়ক হতে পারে।
ইএইচ
আমার সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন