ছ’সপ্তাহ আগেই ব্রিটেনের নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসাবে দায়িত্ব নিয়েছিলেন লিজ ট্রস। কিন্তু এরই মধ্যে দেশের অর্থনীতি সংক্রান্ত তার সরকারের সিদ্ধান্ত সমালোচনার মুখে পড়েছিল।
এরই জেরে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী লিজ ট্রাস প্রধানমন্ত্রিত্ব ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছেন। মাত্র ৪৫ দিন প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন শেষে পদত্যাগ করতে বাধ্য হলেন তিনি।
তবে লিজ প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর থেকে তার নিজের দল কনজার্ভেটিভ পার্টির অন্দরেই তার পদত্যাগের দাবি তীব্র হচ্ছিল।
এর আগে ডেইলি মেইল জানিয়েছিল, প্রধানমন্ত্রিত্ব বাঁচাতে আপ্রাণ চেষ্টা করেছিলেন লিজ ট্রাস। এরই অংশ হিসেবে বৃহস্পতিবার (২০ অক্টোবর) কনজারভেটিভ পার্টির নীতি নির্ধারণী ১৯৯২ কমিটির প্রধানের সঙ্গে নিজের সরকারি দপ্তরে বৈঠকে বসেছিলেন ট্রাস।
কিন্তু তাকে শেষ পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব ছাড়তেই হলো।
স্যার গ্রাহাম ব্র্যাডির নেতৃত্বে ১৯২২ কমিটির সদস্যরা ট্রাসের সঙ্গে কথা বলেন।
স্যার গ্রাহাম ব্র্যাডির কাছে একাধিক টোরি এমপি প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে অনাস্থা ভোটের দাবি জানিয়েছে চিঠি পাঠিয়েছিলেন।
যদিও কনজারভেটিভ পার্টির নিয়ম অনুযায়ী নতুন দায়িত্ব নেওয়া কোনো প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে এক বছরের মধ্যে অনাস্থা ভোট আয়োজন করা সম্ভব না।
তবে প্রয়োজনে এ নিয়ম পরিবর্তন করা যায়। কিন্তু এটি আর করার প্রয়োজন হয়নি। ট্রাস নিজেই পদত্যাগ করেছেন। সূত্র: বিবিসি, ডেইলি মেইল
টিএইচ
আমার সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন