মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ও কৌশলগত সহায়তা ছাড়া ইসরায়েল মধ্যপ্রাচ্যে টিকে থাকতে পারত না। তার দাবি, ওয়াশিংটনের সমর্থন না থাকলে ইসরায়েল ‘চূর্ণবিচূর্ণ’ হয়ে যেত।
শুক্রবার (১৯ জুন) যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল সম্পর্ক নিয়ে কথা বলতে গিয়ে তিনি এসব মন্তব্য করেন।
প্রেস টিভির প্রতিবেদনে বলা হয়, ইসরায়েলের নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা সক্ষমতার পেছনে যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
তিনি বলেন, আমার হস্তক্ষেপ না থাকলে ইসরায়েল চূর্ণ হয়ে যেত। ওয়াশিংটন উন্নত অস্ত্র ব্যবস্থা, আয়রন ডোম আকাশ প্রতিরক্ষা নেটওয়ার্ক এবং বি-২ বোমারু বিমানসহ গুরুত্বপূর্ণ সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহ করে থাকে ইসরায়েলকে।
ট্রাম্প আরও বলেন, ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে তার সম্পর্ক ইতিবাচক এবং ইসরায়েলি সিদ্ধান্ত গ্রহণে ওয়াশিংটনের প্রভাব রয়েছে। তিনি দাবি করেন, নেতানিয়াহু তার পরামর্শ গুরুত্ব দিয়ে গ্রহণ করেন এবং তার সঙ্গে ভালোভাবে কাজ করেন।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, ইসরায়েল তাকে অত্যন্ত সম্মান করে এবং তার পরামর্শ শোনে। তার এই মন্তব্য এমন সময়ে এলো, যখন যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিরতির প্রচেষ্টা সত্ত্বেও ইসরায়েল লেবাননে সামরিক অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে।
এর আগে চলতি মাসে ট্রাম্প জানিয়েছিলেন, লেবাননে ইসরায়েলের অব্যাহত হামলায় ক্ষুব্ধ হয়ে তিনি নেতানিয়াহুর সঙ্গে টেলিফোনে কঠোর ভাষায় কথা বলেছেন। শুক্রবার স্থানীয় সময় বিকেল ৪টায় ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহর মধ্যে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার কথা থাকলেও, একই সময়ে দক্ষিণ লেবাননে নতুন করে ইসরায়েলি বিমান হামলার খবর পাওয়া যায়।
লেবাননের দক্ষিণ ও পূর্বাঞ্চলে শুক্রবার ইসরায়েলি হামলায় নারী ও শিশুসহ অন্তত ৪৭ জন নিহত হয়েছেন বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। এদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকে লেবাননসহ সব ফ্রন্টে যুদ্ধ অবিলম্বে বন্ধ করার কথা বলা হলেও, ইসরায়েল ওই সমঝোতা থেকে নিজেদের দূরে রেখে দক্ষিণ ও পূর্ব লেবাননের আবাসিক এলাকায় হামলা চালিয়ে যাচ্ছে।
এম জি
আমার সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন