নিট প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনাকে কেন্দ্র করে শনিবার ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের খবর যন্তর মন্তরে পৌঁছাতেই আন্দোলনস্থলে আনন্দের জোয়ার বয়ে যায়। প্রশ্নফাঁস কাণ্ড এবং শিক্ষা সংস্কারের দাবিতে ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রধান অভিজিৎ দীপকের মুখে এ সময় স্বস্তির ছাপ স্পষ্ট হয়ে ওঠে।
আন্দোলন চলাকালে মোবাইলে ফোন কলের মাধ্যমে ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার খবরটি পান সিজেপি প্রধান অভিজিৎ দীপক। খবর পাওয়ার পর অত্যন্ত আবেগপ্লুত হয়ে পড়েন তিনি। শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের খবর পাওয়ার পর অভিজিৎ বলেন, ‘বলা হতো এই সরকারে কেউ পদত্যাগ করে না। আমরা এটা করে দেখিয়েছি। ধর্মেন্দ্র প্রধান অবশেষে পদত্যাগ করেছেন।’
প্রথম প্রতিক্রিয়ায় ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকে বলেন, বলা হতো এই সরকারে কেউ পদত্যাগ করে না। কিন্তু দুনিয়া নত হয়, নত করানোর মানুষ দরকার।
শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের খবর পাওয়ার পর ককরোচ জনতা পার্টির পক্ষ থেকে প্রথম প্রতিক্রিয়ায় বলা হয়, ‘কাকরোচরা জিতেছে... গণতন্ত্র জিতেছে! জয় হিন্দ!’
এদিকে গত ১০ দিনে ঘটে যাওয়া ঘটনাবলীতে তিনি অত্যন্ত ব্যথিত বলে জানান ধর্মেন্দ্র প্রধান। ইতোমধ্যে তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কাছে নিজের পদত্যাগপত্র পাঠিয়ে দিয়েছেন। পদত্যাগের কারণ ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, ‘আমি প্রথম দিন থেকেই এনইইটি প্রশ্নপত্র ফাঁসের দায়ভার গ্রহণ করেছিলাম।’
এর পাশাপাশি সতর্কবার্তা দিয়ে তিনি আরও বলেন, যন্তর মন্তরসহ সারা দেশের উদ্ভূত পরিস্থিতির সুবিধা যেন কোনো দেশবিরোধী শক্তি নিতে না পারে।
উল্লেখ্য, এনইইটি-ইউজি ২০২৬-এর প্রশ্নপত্র ফাঁস এবং সিবিএসই এর অন-স্ক্রিন মার্কিং প্রক্রিয়ার অনিয়মের জন্য জবাবদিহিতার পাশাপাশি সরকারি পরীক্ষা পরিচালনায় ব্যাপক সংস্কারের দাবিতে যন্তর মন্তরে ককরোচ জনতা পার্টির নেতৃত্বে আন্দোলন চলছিল। টানা এই দাবির মুখেই শেষ পর্যন্ত পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান।
এএন
আমার সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন