রমজানের সন্ধ্যায় শহর ও গ্রাম এক আলাদা আবহে ভরে ওঠে। রাস্তার দোকানপাট, ইফতারের প্রস্তুতিতে ঘরবাড়ির রান্নাঘরের সুগন্ধ, এবং বাজারে ফল, মিষ্টি ও অন্যান্য খাবারের উপচে পড়া ভিড় ঈদের আগাম আবহ তৈরি করে। ইফতার শেষে পরিবারের সবাই একসঙ্গে বসে খাবার ভাগাভাগি করে খাওয়ার মুহূর্তটি রমজানের অন্যতম আনন্দের সময়।
বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ইফতারের আয়োজন বৈচিত্র্যময়। বড় পরিবার একসঙ্গে খায়, আবার ছোট অঞ্চলে স্থানীয় খাবারগুলো ভাগ করে খাওয়া হয়। তবে সবার মধ্যে যে বিষয়টি সাধারণ, তা হলো আজানের ধ্বনির সাথে সাথে খাবারের প্রস্তুতি এবং পরিবারের আন্তরিক মিলন।
রমজানে উপযুক্ত খাবার গ্রহণ শরীরকে ক্লান্তি থেকে মুক্ত রাখে। ইফতার ও সেহরির খাবার এমনভাবে হওয়া উচিত, যাতে সহজপাচ্য, পুষ্টিকর এবং শরীরকে শক্তি যোগানো যায়। উদাহরণস্বরূপ, সবজি, ডাল ও ফলমূল সহজপাচ্য এবং পুষ্টিকর, যা দীর্ঘ সময় পুষ্টি যোগায়। পাশাপাশি দই বা অন্যান্য দুগ্ধজাত খাবার হজমে সহায়তা করে।
উষ্ণ ও আরামদায়ক খাবার শরীরকে হালকা ও শক্তি যোগায়। ইফতারের সময় হালকা খাবার খেলে দীর্ঘ সময় খাওয়ার পরে শরীর ভারাক্রান্ত বা অস্বস্তিতে পড়েনা। দুধ, দই ও ফলমূলের মতো খাবার পুষ্টি এবং হজম দুটোই নিশ্চিত করে।
গ্রামীণ ও শহরাঞ্চলে স্থানীয়ভাবে সংগ্রহকৃত দুগ্ধজাত খাবার ব্যবহার করা হয়। দুধ, দই ও অন্যান্য পণ্য খাঁটি ও পুষ্টিকর হওয়া নিশ্চিত করা হয়, যা গ্রামীণ অঞ্চলের জন্যও সহায়ক।
এইভাবে রমজানে সঠিক ও ভারসাম্যপূর্ণ খাবার গ্রহণ শরীরকে সুস্থ রাখে, ক্লান্তি কমায় এবং ইফতার ও সেহরির সময় প্রয়োজনীয় পুষ্টি যোগায়।
এএন
আমার সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন