বিমানে লাগেজ হ্যান্ডলিংয়ে স্বচ্ছতা ফেরাতে বডি-ওয়ার্ন ক্যামেরার সম্প্রসারণ উদ্বোধন

আমার সংবাদ ডেস্ক প্রকাশিত: ডিসেম্বর ২১, ২০২৫, ০৩:০৮ পিএম
বিমানে লাগেজ হ্যান্ডলিংয়ে স্বচ্ছতা ফেরাতে বডি-ওয়ার্ন ক্যামেরার সম্প্রসারণ উদ্বোধন

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের যাত্রীসেবা ও লাগেজ হ্যান্ডলিং প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে ‘বডি-ওয়ার্ন ক্যামেরা’ কার্যক্রমের পরিধি আরও বাড়ানো হয়েছে। 

রোববার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এই সেবার আনুষ্ঠানিক সম্প্রসারণ কার্যক্রম উদ্বোধন করা হয়।

আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা প্রটোকল অনুযায়ী, বিশ্বের বিভিন্ন বিমানবন্দরে নিষিদ্ধ বা অবৈধ দ্রব্য বহনের আশঙ্কায় নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষ যাত্রীদের লাগেজ তল্লাশিকালে প্রয়োজনবোধে তালা বা চেইন ভেঙে তল্লাশি করে থাকে। এর জন্য যাত্রী বা এয়ারলাইন্সের পূর্বানুমতির প্রয়োজন হয় না। তবে বিদেশ থেকে আগত অনেক যাত্রী প্রায়ই এ ধরনের লাগেজ কর্তনের দায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স বা সিভিল এভিয়েশন কর্তৃপক্ষের ওপর আরোপ করেন। অভিযোগ রয়েছে, কিছু অসাধু চক্রও এই সুযোগে চুরি বা অপকর্মে লিপ্ত হয়। এ ধরনের অভিযোগ নিরসন ও দায়ী ব্যক্তিদের শনাক্ত করতেই বডি-ওয়ার্ন ক্যামেরা ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

২০২৪ সালের জুন মাস থেকেই বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স তাদের নিজস্ব ফ্লাইটের ব্যাগেজ ডেলিভারি কার্যক্রমে কর্মীদের দেহে এই ক্যামেরা সংযুক্ত করেছিল। সেই পরীক্ষার ইতিবাচক ফলাফলের ভিত্তিতে এখন থেকে বিমানে গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং সেবা গ্রহণকারী সকল আন্তর্জাতিক এয়ারলাইনের ফ্লাইটেও এই প্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে। ফলে বিমানবন্দরে আগত প্রতিটি আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের লাগেজ ওঠানামা কার্যক্রম এখন থেকে ডিজিটাল নজরদারির আওতায় থাকবে।

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের পরিচালক (গ্রাহকসেবা) ও যুগ্মসচিব বদরুল হাসান লিটন এই সম্প্রসারণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি বলেন, যাত্রীদের জানমালের সুরক্ষা ও সেবার গুণগত মান রক্ষায় আমরা অঙ্গীকারবদ্ধ। বডি-ওয়ার্ন ক্যামেরা প্রযুক্তি লাগেজ হ্যান্ডলিংয়ের প্রতিটি ধাপে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করবে। এটি শুধু যাত্রীদের আস্থাই বাড়াবে না, আমাদের কর্মীদের পেশাদারিত্বকেও আরও উন্নত করবে।

বিমান কর্তৃপক্ষ জানায়, যাত্রীসেবার মানোন্নয়ন ও নিরাপত্তায় ডিজিটাল প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিতে তারা নিরন্তর কাজ করে যাচ্ছে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে চুরি বা লাগেজ কর্তনের মতো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাগুলো কার্যকরভাবে মনিটর করা সম্ভব হবে।

জেএইচআর