রিজওয়ানা হাসান

ভারত বিশ্লেষণ করতে পারে, মতামত দেওয়ার অধিকার রাখে না

আমার সংবাদ ডেস্ক প্রকাশিত: জানুয়ারি ২৮, ২০২৬, ০৪:৪১ পিএম
ভারত বিশ্লেষণ করতে পারে, মতামত দেওয়ার অধিকার রাখে না

আসন্ন নির্বাচন নিয়ে প্রতিবেশী দেশ ভারত বিশ্লেষণ করতে পারে, তবে এ নিয়ে তাদের মতামত দেওয়ার কোনো অধিকার নেই বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। 

বুধবার দুপুরে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন। একই সঙ্গে তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, পতিত স্বৈরাচার যদি ভোটের পরিবেশ নষ্টের চেষ্টা করে, তবে সরকার তা কঠোরভাবে প্রতিহত করতে প্রস্তুত রয়েছে।

বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে পার্শ্ববর্তী দেশের মন্তব্য প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, নির্বাচন সম্পূর্ণ একটি দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়। সেখানে অন্য কোনো দেশ পরিস্থিতির বিশ্লেষণ করতে পারে, কিন্তু কে জিতলে কী হবে এ ধরনের আগাম মতামত দেওয়ার সুযোগ রাখে না। ভোট হওয়ার আগেই এ ধরনের মন্তব্য বস্তুনিষ্ঠ হওয়ার সুযোগ নেই বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

নির্বাচনী পরিবেশ নিয়ে রিজওয়ানা হাসান বলেন, নির্বাচনের সময় রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে উত্তেজনা থাকা স্বাভাবিক। এক দল অন্য দলকে ঘায়েল করার চেষ্টা করবেই। তবে কোনো ক্ষেত্রে শিষ্টাচারের সীমা অতিক্রম করলে কিংবা বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটালে সরকার অবশ্যই দায়িত্ব পালন করবে। 

তিনি আরও বলেন, নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার দিন থেকেই বিভিন্ন জায়গায় ককটেল বিস্ফোরণের মাধ্যমে পরিবেশ নষ্টের চেষ্টা করা হয়েছে। পতিত স্বৈরাচারের কোনো শক্তি যদি বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা চালায়, তবে সরকার প্রয়োজনে প্রস্তুতি আরও বাড়িয়ে তা মোকাবিলা করবে।

ভোটের প্রচারণায় জেলা প্রশাসকদের ভূমিকা এবং জনমনে ভীতি প্রসঙ্গে উপদেষ্টা জানান, উপদেষ্টারা ইতিমধ্যে দেশের ৬৪ জেলায় গিয়ে ছাত্র-শিক্ষকসহ সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের গণভোটের গুরুত্ব বুঝিয়ে দিয়েছেন। এখন প্রচার শুরু হওয়ায় উপদেষ্টারা আর সেখানে যাচ্ছেন না। জেলা প্রশাসকদের দায়িত্ব হলো সাধারণ ভোটের পাশাপাশি গণভোটের খবরটি জনগণের কাছে পৌঁছে দেওয়া। 

তিনি আরও বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিত্তিহীন তথ্য দিয়ে ভয়ের আবহ তৈরির চেষ্টা চলছে। তবে মাঠ পর্যায়ে মানুষের মধ্যে নির্বাচনের ব্যাপক আমেজ দেখা গেছে। কোনো সুনির্দিষ্ট ব্যক্তি ভোট দিতে ভয় পেলে সরকারকে জানালে তাঁর ভয় দূর করার দায়িত্ব অবশ্যই সরকার নেবে।

জেএইচআর