বিশিষ্ট আইনবিদ, মানবাধিকার বিজ্ঞানী, শিক্ষাবিদ ও বহু গ্রন্থের প্রণেতা অধ্যাপক ডক্টর মফিজুল ইসলাম পাটোয়ারীর ২২তম মৃত্যুবার্ষিকী শুক্রবার। ২০০৪ সালের এই দিনে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
আইনশাস্ত্রে অনন্য অবদান রাখা এই বরেণ্য ব্যক্তিত্ব ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির বা ডিআইইউ প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ছিলেন। একই সঙ্গে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক ও চেয়ারম্যান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।
ডক্টর মফিজুল ইসলাম পাটোয়ারী শুধু একজন খ্যাতিমান আইনজ্ঞই নন, ছিলেন একনিষ্ঠ মানবাধিকার গবেষক। লন্ডন স্কুল অব ইকোনমিক্সের অধীনে মানবাধিকার বিষয়ে গবেষণা করে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে সুনাম অর্জন করেন তিনি। তাঁর রচিত ২০টি গ্রন্থ এবং ৩৫টিরও বেশি গবেষণা প্রবন্ধ দেশে ও বিদেশে ব্যাপকভাবে সমাদৃত হয়েছে।
আইন ও মানবাধিকার চর্চার পাশাপাশি শিক্ষা বিস্তারে তাঁর ভূমিকা ছিল অনন্য। তিনি আজীবন শিক্ষাবান্ধব সমাজ গঠনে কাজ করেছেন এবং একাধিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।
এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (ডিআইইউ), ঢাকা টেকনিক্যাল ও বৃত্তিমূলক বা ভোকেশনাল ইনস্টিটিউট এবং ডক্টর জেড আই চৌধুরী কৃষি প্রশিক্ষণ ও গবেষণা কেন্দ্র (গাইবান্ধা)। এ ছাড়া ডক্টর এম আই পাটোয়ারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, মল্লিকজান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, আব্দুল কাদের আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় এবং বেলকা ডিগ্রি কলেজ প্রতিষ্ঠায় তাঁর অগ্রণী ভূমিকা ছিল।
তাঁর ২২তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আজ ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রে দোয়া ও আলোচনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। পাশাপাশি গাইবান্ধা জেলার সুন্দরগঞ্জের মনিরামস্থ বাসভবন এবং রংপুরের দেবী চৌধুরানীতে মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে।
জেএইচআর
আমার সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন