জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ‘স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৬’ প্রদানের জন্য ২০ জন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে মনোনীত করেছে সরকার। বৃহস্পতিবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিভিন্ন ক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে এবার ১৫ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও ৫টি প্রতিষ্ঠানকে স্বাধীনতা পুরস্কারে ভূষিত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এদের মধ্যে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে (মরণোত্তর) স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও নারী শিক্ষাসহ দেশগঠনে সার্বিক অবদানের জন্য এ পুরস্কারে মনোনীত করা হয়েছে।
মুক্তিযুদ্ধের অবদানের জন্য ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ এবং মেজর মোহাম্মদ আবদুল জলিলকে (মরণোত্তর) সম্মাননা দেওয়া হচ্ছে। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে অবদানের জন্য অধ্যাপক ড. জহুরুল করিম এবং চিকিৎসাবিদ্যায় অবদানের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালকে পুরস্কারের জন্য মনোনীত করা হয়েছে।
সাহিত্যে অবদানের জন্য ড. আশরাফ সিদ্দিকীকে (মরণোত্তর) এবং সংস্কৃতিতে অবদানের জন্য এ কে এম হানিফ (হানিফ সংকেত) ও বশির আহমেদকে (মরণোত্তর) নির্বাচন করা হয়েছে। ক্রীড়াক্ষেত্রে অবদানের জন্য জোবেরা রহমান (লিনু) এ সম্মাননা পাচ্ছেন।
পল্লী উন্নয়নে অবদানের জন্য পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) এবং সমাজসেবা ও জনসেবায় অবদানের জন্য ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী (মরণোত্তর), এসওএস চিলড্রেনস ভিলেজ ইন্টারন্যাশনাল ইন বাংলাদেশ, মো. সাইদুল হক, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র এবং মাহেরীন চৌধুরীকে (মরণোত্তর) নির্বাচিত করা হয়েছে।
এছাড়া জনপ্রশাসনে অবদানের জন্য কাজী ফজলুর রহমানকে (মরণোত্তর) মনোনীত করা হয়েছে। গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ক্ষেত্রে অবদানের জন্য মোহাম্মদ আবদুল বাকী (পিএইচডি), অধ্যাপক ড. এম এ রহিম ও অধ্যাপক ড. সুকোমল বড়ুয়া এ পুরস্কার পাচ্ছেন। পরিবেশ সংরক্ষণে অবদানের জন্য আবদুল মুকিত মজুমদার (মুকিত মজুমদার বাবু) মনোনীত হয়েছেন।
সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, স্বাধীনতা পুরস্কার দেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা হিসেবে প্রতিবছর বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য বিশিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে প্রদান করা হয়ে থাকে।
এএন
আমার সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন