প্রতি বছর ৭ নভেম্বর জাতীয়ভাবে ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ পালিত হবে। এ দিবসকে সরকার নির্ধারিত জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবস পালনের পরিপত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ‘ক’ শ্রেণিভুক্ত হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
মঙ্গলবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ নতুন একটি পরিপত্র জারি করে এ সংশোধন আনে। এতে বলা হয়, সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস এখন থেকে ‘ক’ শ্রেণিভুক্ত দিবস হিসেবে পালিত হবে।
এর ফলে ১১ মার্চ জারি করা আগের পরিপত্রের ‘ক’ শ্রেণিভুক্ত দিবসের তালিকায় এ দিবসটি যথাস্থানে অন্তর্ভুক্ত বলে গণ্য হবে। সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থাকে এ সিদ্ধান্ত যথাযথভাবে বাস্তবায়নের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এর আগে ১১ মার্চ জারি করা পরিপত্রে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবস পালনের তালিকায় ৭ নভেম্বরের উল্লেখ ছিল না। পাশাপাশি বিগত সরকারের সময়েও এ দিবসটি রাষ্ট্রীয়ভাবে স্বীকৃত ছিল না।
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের সিপাহী-জনতার ঘটনাকে স্মরণ করে পালিত হয়। ওই সময় কর্নেল (অব.) আবু তাহেরের নেতৃত্বে সংঘটিত অভ্যুত্থানের পর জেনারেল জিয়াউর রহমান বন্দিদশা থেকে মুক্তি পান এবং পরবর্তী সময়ে রাষ্ট্রক্ষমতায় আসেন। তার প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল সরকারের সময় এই দিনটি সরকারি ছুটির দিন হিসেবে পালিত হতো।
অন্যদিকে এ ঘটনার বিরোধী পক্ষ ও সমালোচকরা, বিশেষ করে আওয়ামী লীগ, একই দিনকে মুক্তিযোদ্ধা সৈনিক হত্যা দিবস হিসেবে উল্লেখ করে থাকেন।
এম জি
আমার সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন