পররাষ্ট্রমন্ত্রী

বাংলাদেশ ও চীন অর্থনৈতিক করিডোর বিবেচনায় রয়েছে

আমার সংবাদ ডেস্ক প্রকাশিত: জুন ২৭, ২০২৬, ০৮:১৯ পিএম
বাংলাদেশ ও চীন অর্থনৈতিক করিডোর বিবেচনায় রয়েছে

মিয়ানমার হয়ে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে সরাসরি স্থলপথে অর্থনৈতিক করিডোর স্থাপনের প্রস্তাব সরকার বিবেচনা করছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

শনিবার (২৭ জুন) বিকেলে প্রধানমন্ত্রীর সদ্যসমাপ্ত মালয়েশিয়া ও চীন সফর নিয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে তিনি এ তথ্য জানান।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, পরিবহন ব্যয় কমানোর লক্ষ্যে চীন কুনমিং থেকে মিয়ানমার হয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে সরাসরি স্থল যোগাযোগ স্থাপনের একটি করিডোরের প্রস্তাব দিয়েছে। বিষয়টি বর্তমানে সরকারের বিবেচনায় রয়েছে।

তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরে দুই দেশের মধ্যে ৮টি সমঝোতা স্মারক এবং ৩টি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এর মধ্যে মোংলা বন্দর এবং চট্টগ্রামের আনোয়ারায় চীনের জন্য বিশেষ ইপিজেড নির্মাণের বিষয়ে চুক্তি হয়েছে। পাশাপাশি তিস্তা প্রকল্পে চীনের সহযোগিতায় সম্ভাব্যতা যাচাই পরিচালনায়ও দুই দেশ নীতিগতভাবে একমত হয়েছে।

ড. খলিলুর রহমান আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া সফরে সন্ত্রাসবাদ প্রতিরোধ ও বিনিয়োগ বিষয়ে দুটি নোট অব ভার্বাল স্বাক্ষরিত হয়েছে। এছাড়া ২০২৭ সালের মধ্যে বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার মধ্যে মুক্তবাণিজ্য চুক্তি সম্পাদনের লক্ষ্যে কাজ করার বিষয়ে উভয় দেশ সম্মত হয়েছে।

তিনি জানান, মালয়েশিয়ায় অবস্থানরত প্রায় দুই লাখ রোহিঙ্গার বিষয়েও আলোচনা হয়েছে। রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের নীতিগত প্রশ্নে বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়া একসঙ্গে কাজ করবে।

ব্রিফিংয়ে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির জানান, চীনের কমিউনিস্ট পার্টির সঙ্গে বিএনপির একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হয়েছে। একই সঙ্গে ব্রিকস ও সাংহাই সহযোগিতা সংস্থায় বাংলাদেশের সদস্যপদের বিষয়ে চীনের সমর্থনের আশ্বাস পাওয়া গেছে।

এদিকে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চীনা উদ্যোক্তাদের চট্টগ্রামের আনোয়ারায় ১৮ মাসের মধ্যে প্রথম শিল্পকারখানা চালুর চ্যালেঞ্জ দিয়েছেন। চীনা ব্যবসায়ীরা সেই চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করেছেন। পাশাপাশি জ্বালানি খাতে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা আরও জোরদারের বিষয়েও দুই দেশ একমত হয়েছে।

এম জি