সকালে পূর্বাচল ক্রিকেট মাঠ পরিদর্শনে গিয়ে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা জানিয়েছিলেন আমিনুল ইসলাম বুলবুল। সঙ্গে ছিলেন খালেদ মাসুদ পাইলটসহ বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড-এর কর্মকর্তারা। কিন্তু কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে পুরো পরিস্থিতিই বদলে যায়।
জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি) হঠাৎ করেই বিসিবির বিদ্যমান কমিটি ভেঙে দিয়ে ১১ সদস্যের একটি অ্যাডহক কমিটি গঠনের ঘোষণা দেয়। ফলে বুলবুল আর সভাপতি পদে থাকছেন না। বোর্ড ভেঙে দেওয়ার খবর পেয়ে দ্রুত বিসিবি কার্যালয় ত্যাগ করেন তিনি।
জানা গেছে, পরদিন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক-এর সঙ্গে বগুড়া সফরে যাওয়ার কথাও ছিল বুলবুলের। পূর্বাচলে মাঠ পরিদর্শন শেষে তিনি ২০৩১ সালের মধ্যে দেশে বড় ধরনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট আয়োজনের পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন। কিন্তু তখনও তিনি বুঝতে পারেননি, এমন বড় পরিবর্তন সামনে অপেক্ষা করছে।
পেছনের ঘটনাপ্রবাহে দেখা যায়, গত বছরের ৬ অক্টোবর বিসিবি নির্বাচনের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তামিম ইকবালসহ তাঁর সমমনা সংগঠকেরা। বিষয়টি নিয়ে এনএসসিতে আনুষ্ঠানিক অভিযোগও করা হয়। অনিয়ম ও কারসাজির অভিযোগ খতিয়ে দেখতে ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।
সম্প্রতি সেই তদন্ত প্রতিবেদন জমা পড়ার পর মাত্র দুই দিনের ব্যবধানে ভেঙে দেওয়া হয় বিসিবির বোর্ড। নতুন গঠিত ১১ সদস্যের অ্যাডহক কমিটির সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে তামিম ইকবালকে।
এ ঘটনাকে ঘিরে দেশের ক্রিকেট অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
এএন
আমার সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন