আগামী ৭ জুন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) বহুল প্রতীক্ষিত পরিচালনা পর্ষদের নির্বাচন। নির্বাচনের ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, শুক্রবার (২২ মে) ছিল মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার চূড়ান্ত সময়। তিন ক্যাটাগরি মিলিয়ে মোট ৩৯টি মনোনয়নপত্র বিক্রি হলেও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জমা পড়েছে ৩৩টি। বাকি ৬টি মনোনয়নপত্র শেষ পর্যন্ত জমা পড়েনি।
কয়েকটি বিভাগে একক প্রার্থী থাকায় এবং নির্দিষ্ট একটি ক্যাটাগরিতে মাত্র একজন অংশ নেওয়ায় চূড়ান্ত ভোটগ্রহণের আগেই চারজন পরিচালকের বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়া প্রায় নিশ্চিত।
জেলা ও বিভাগভিত্তিক ‘ক্যাটাগরি-১’-এ মোট ১৯টি মনোনয়নপত্র কেনা হয়েছিল, যার মধ্যে জমা পড়েছে ১৪টি। এর মধ্যে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও খুলনা বিভাগ থেকে ৩টি করে এবং বরিশাল বিভাগ থেকে ২টি মনোনয়ন দাখিল করা হয়েছে। তবে ভিন্ন চিত্র দেখা গেছে রাজশাহী, রংপুর ও সিলেট বিভাগে। এই তিন অঞ্চল থেকে মাত্র ১টি করে মনোনয়নপত্র জমা পড়েছে।
যেহেতু রাজশাহী, রংপুর ও সিলেট- এই তিন বিভাগে পর্ষদের আসন সংখ্যাও একটি করে, তাই মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ে কোনো ত্রুটি না থাকলে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিসিবির পরিচালক হতে যাচ্ছেন রাজশাহীর মীর শাহরুল আলম সীমান্ত, রংপুরের মির্জা ফয়সাল আমিন এবং সিলেটের কাইয়ুম চৌধুরী।
অন্যদিকে, সাবেক ক্রিকেটার ও বিভিন্ন সংস্থার সমন্বয়ে গঠিত ‘ক্যাটাগরি-৩’-এর একমাত্র আসনটিতেও কোনো লড়াই হচ্ছে না। এই ক্যাটাগরিতে একমাত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোনীত কাউন্সিলর সিরাজউদ্দিন মোহাম্মদ আলমগীর। ফলে যাচাই-বাছাই পর্ব পেরোলেই তিনিও বিনা বাধায় বিসিবি পরিচালক নির্বাচিত হবেন।
বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতার আবহ থাকলেও ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের ক্লাবগুলোর প্রতিনিধি বা ‘ক্যাটাগরি-২’-এ পূর্ণ প্রতিদ্বন্দ্বিতার আভাস পাওয়া যাচ্ছে। এই ক্যাটাগরিতে যে ১৮ জন মনোনয়নপত্র কিনেছিলেন, তাদের প্রত্যেকেই তা জমা দিয়েছেন। বর্তমান বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবালও এই ক্লাব ক্যাটাগরি থেকেই নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। ফলে এই ক্যাটাগরির আসনগুলোর জন্য আগামী ৭ জুন ব্যালট পেপারেই ভাগ্য নির্ধারিত হবে প্রার্থীদের।
এএন
আমার সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন