বিশ্বকাপ মঞ্চে নিজেদের প্রথম ম্যাচেই দাপুটে পারফরম্যান্স দেখিয়েছে জার্মানি। কুরাসাওয়ের বিপক্ষে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত আধিপত্য বিস্তার করে ইউরোপের শক্তিশালী দলটি ৭-১ গোলের বড় জয় তুলে নিয়েছে।
প্রথমার্ধেই প্রতিপক্ষের জালে তিনবার বল পাঠিয়ে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নেয় জার্মানরা। বিরতির পর সেই আক্রমণাত্মক ধারা আরও তীব্র হয়। মাঠে ফেরার কয়েক মিনিটের মধ্যেই ব্যবধান বাড়িয়ে দেয় তারা।
৫২তম মিনিটে ইয়োশুয়া কিমিখের তৈরি করা সুযোগ কাজে লাগিয়ে গোল করেন তরুণ মিডফিল্ডার জামাল মুসিয়ালা। তাঁর নিখুঁত ফিনিশিংয়ে জার্মানির চতুর্থ গোল আসে এবং ম্যাচ কার্যত কুরাসাওয়ের নাগালের বাইরে চলে যায়।
ক্রমাগত চাপের মুখে কুরাসাওয়ের রক্ষণভাগ বারবার ভেঙে পড়ে। ৬৮তম মিনিটে আক্রমণে উঠে এসে নাথানিয়েল ব্রাউন গোল করে ব্যবধান ৫-১ করেন। এরপর ৭৮তম মিনিটে ডেনিজ উনদাভ স্কোরলাইনকে আরও বড় করেন।
তবে জার্মানদের গোল-উৎসবের শেষ দৃশ্যটি আসে ম্যাচের অন্তিম সময়ে। ৮৮তম মিনিটে কাই হাভার্টজ নিজের দ্বিতীয় এবং দলের সপ্তম গোলটি করেন। সেই গোলের মধ্য দিয়ে অনেকের মনে ফিরে আসে ২০১৪ বিশ্বকাপের স্মৃতি, যখন সেমিফাইনালে ব্রাজিলকে ৭-১ ব্যবধানে হারিয়ে ফুটবল বিশ্বকে বিস্মিত করেছিল জার্মানি।
পুরো ম্যাচজুড়ে বল দখল, আক্রমণ গঠন এবং সুযোগ তৈরিতে স্পষ্ট আধিপত্য ছিল জার্মানদের। কুরাসাও মাঝে মধ্যে প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করলেও ইউরোপিয়ানদের ধারাবাহিক আক্রমণের সামনে টিকতে পারেনি।
বড় এই জয়ের মাধ্যমে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করে জার্মানি প্রতিদ্বন্দ্বীদের জন্যও শক্ত বার্তা পাঠিয়েছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা যে এবারও শিরোপার লড়াইয়ে অন্যতম দাবিদার, কুরাসাওয়ের বিপক্ষে সেই ইঙ্গিতই মিলেছে।
এএন
আমার সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন