ভোলায় সম্পন্ন হলো কিশোরকণ্ঠ মেধাবৃত্তি পরীক্ষা

এম এম রহমান, ভোলা প্রকাশিত: অক্টোবর ৩১, ২০২৫, ০৬:১১ পিএম

শিক্ষার্থীদের মেধা ও সৃজনশীলতা বিকাশে অনন্য ভূমিকা রেখে চলা মাসিক কিশোরকণ্ঠ আয়োজিত “কিশোরকণ্ঠ মেধাবৃত্তি পরীক্ষা–২০২৫” উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে ভোলায়।

শুক্রবার সকাল ১০টায় ভোলা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কালেক্টর স্কুল অ্যান্ড কলেজের দুটি কেন্দ্রে একযোগে এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

এবারের পরীক্ষায় চতুর্থ থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত প্রায় ১,৬৫০ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়—যা অংশগ্রহণের দিক থেকে একটি রেকর্ড। ভোলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নিয়ে দিনব্যাপী মেধার প্রতিযোগিতাকে পরিণত করে উৎসবের রূপে।

আয়োজক কমিটি জানায়, তিনটি ক্যাটাগরিতে ভাগ করে প্রত্যেক শ্রেণি থেকে ১৭ জন করে মোট ১১৯ জন শিক্ষার্থীকে এককালীন বৃত্তি, সম্মাননা ক্রেস্ট ও সনদ প্রদান করা হবে। পাশাপাশি সর্বোচ্চ নম্বরপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীকে বিশেষ পুরস্কার হিসেবে একটি ল্যাপটপ প্রদান করা হবে।

পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে সার্বিক সহযোগিতা করেন ভোলা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কালেক্টর স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষক, স্বেচ্ছাসেবক ও গণমাধ্যম কর্মীরা। আয়োজকরা তাদের আন্তরিক সহযোগিতার জন্য ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।

পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শন করেন ভোলা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. ইসরাফিল, চরফ্যাশন সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মোহাম্মদ উল্যাহ এবং কিশোরকণ্ঠ পাঠক ফোরামের ভোলা জেলা চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল আমিন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্র সচিব-১ এ্যাডভোকেট রহমত উল্লাহ সেলিম এবং কেন্দ্র সচিব-২ এ্যাডভোকেট আব্দুল্লাহ আল মামুন।

পরিদর্শন শেষে অধ্যাপক মো. ইসরাফিল বলেন, “এই আয়োজন অত্যন্ত সুশৃঙ্খল ও চমৎকারভাবে সম্পন্ন হয়েছে। আশা করি ভোলা জেলার শিক্ষার্থীরা এ উদ্যোগ থেকে অনেক উপকৃত হবে।”

প্রফেসর মোহাম্মদ উল্যাহ বলেন, “এই পরীক্ষায় অংশগ্রহণ শিক্ষার্থীদের আত্মবিশ্বাস আরও বৃদ্ধি করবে।”

কিশোরকণ্ঠ ভোলা জেলা চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল আমিন বলেন, “শিক্ষার্থীদের মেধা ও নৈতিকতার বিকাশ, পাঠ্যাভ্যাস তৈরি এবং ছাত্রকল্যাণমূলক কাজে উৎসাহ দেওয়ার উদ্দেশ্যেই এই আয়োজন। যারা শুরু থেকেই সহযোগিতা করেছেন—শিক্ষক, অভিভাবক, শিক্ষার্থী ও আয়োজক কমিটিসহ সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ।”

ইএইচ