ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুর জেলার পাঁচটি সংসদীয় আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন ৩৫জন প্রার্থী। এসব আসনে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন ৭০জন। মনোনয়নপত্র জমা দেন ৪৬জন। বৈধ প্রার্থী ছিলেন ৩০জন। ১৬ জনের প্রার্থীতা বাতিল হয়। আপিলে প্রার্থীতা ফেরত পান ১১জন। প্রার্থীতা প্রত্যাহার করেন ৬ জন।
মঙ্গলবার রাতে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে এসব তথ্য জানানো হয়।
প্রাপ্ত তথ্যে জানা গেছে, চাঁদপুর-১ (কচুয়া): এই আসনে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন ১৫জন। জমা দিয়েছে ৭ জন। বৈধ প্রার্থীর সংখ্যা ছিলো ৪ জন। বাতিল হয় ৩ জন। আপিলে ফেরত প্রার্থীর সংখ্যা ৩ জন। একজন প্রত্যাহারের পরে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী রয়েছে ৬ জন।
চাঁদপুর-২ (মতলব উত্তর ও দক্ষিণ): এই আসনে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন ২০জন। জমা দিয়েছে ১২জন। বৈধ প্রার্থীর সংখ্যা ছিলো ৫ জন। বাতিল হয় ৭ জন। আপিলে ফেরত প্রার্থীর সংখ্যা ৫ জন। দুইজন প্রত্যাহারের পরে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী রয়েছে ৮ জন।
চাঁদপুর-৩ (সদর-হাইমচর): এই আসনে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করে ৯ জন। জমা দিয়েছে ৯ জন। বৈধ প্রার্থীর সংখ্যা ছিলো ৮ জন। বাতিল হয় ১ জন। আপিলে ফেরত প্রার্থীর সংখ্যা ১ জন। দুইজন প্রত্যাহারের পরে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী রয়েছে ৭ জন।
চাঁদপুর-৪ (ফরিদগঞ্জ): এই আসনে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন ১৫জন। জমা দিয়েছে ১০জন। বৈধ প্রার্থীর সংখ্যা ছিলো ৬ জন। বাতিল হয় ৪ জন। আপিলে ফেরত প্রার্থীর সংখ্যা ২ জন। বর্তমানে বৈধ প্রার্থীর সংখ্যা ৮ জন।
চাঁদপুর-৫ (হাজীগঞ্জ-শাহরাস্তি): এই আসনে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করে ১১জন। মনোনয়নপত্র জমা দেন ৮ জন। বৈধ প্রার্থীর সংখ্যা ৭ জন। বাতিল হয় ১ জন। একজন প্রত্যাহারের পরে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী রয়েছে ৬ জন।
এসব আসনের মধ্যে বিএনপির একক প্রার্থী থাকলেও চাঁদপুর-৪ (ফরিদগঞ্জ) আসনে দলটির প্রতিদ্বন্দ্বী রয়েছেন বিদ্রোহী প্রার্থী এম এ হান্নান।
এছাড়াও ১০ দলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে চাঁদপুর-১ (কচুয়া) আসনে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী আনিসুর রহমান শেষ দিনে তার প্রার্থীতা প্রত্যাহার করেন। যার ফলে এই আসনে এখন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন জামায়াত প্রার্থী আবু নসর মো. মকবুল আহমদ।
এএন