বরিশাল-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি মোহাম্মদ শাহে আলমকে একটি হত্যাচেষ্টা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
সোমবার (৮ জুন) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সেফাতুল্লাহ এ আদেশ দেন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, এদিন কারাগার থেকে শাহে আলমকে আদালতে হাজির করা হয়। মামলার তদন্তের প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে পুলিশ তাকে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন জানায়। শুনানি শেষে আদালত আবেদনটি মঞ্জুর করেন।
মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই রাজধানীর শাহজাদপুর এলাকায় চলমান আন্দোলনের সময় বিক্ষোভকারীদের ওপর গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটে। কনফিডেন্স টাওয়ারের সামনে সংঘটিত ওই ঘটনায় ভ্যানচালক জব্বার আলী হাওলাদার গুলিবিদ্ধ হন।
পরে একই বছরের ১১ ডিসেম্বর জব্বার আলী হাওলাদার বাদী হয়ে গুলশান থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১০৯ জনকে আসামি করা হয়। এজাহারে শাহে আলমের নাম না থাকলেও তাকে অজ্ঞাতনামা আসামি হিসেবে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
এর আগে ২০২৪ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর রাতে রাজধানীর গুলশান এলাকায় বিক্ষুব্ধ জনতা শাহে আলমকে আটক করে মারধরের পর পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে। পরদিন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় গুলশান ডিগ্রি কলেজের শিক্ষার্থী নাইমুর রহমান হত্যা মামলায় তাকে আদালতে হাজির করা হলে তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়।
এই মামলার অন্যান্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, শেখ রেহানা, সজিব ওয়াজেদ জয়, নুরে আলম চৌধুরী লিটন, মজিবুর রহমান, নসরুল হামিদ বিপু, মোহাম্মদ আলী আরাফাত ও নুর মোহাম্মদ।
এদিকে ২০২৪ সালের ১১ সেপ্টেম্বর শাহে আলমের বিরুদ্ধে চাঁদা দাবি, হামলা, মারধর ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে বরিশালের আদালতে আরেকটি মামলা দায়ের করা হয়। ওই মামলায় তার তিন ভাইসহ মোট ১৪ জন আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীকে আসামি করা হয়েছিল।
এ ছাড়া ২০২৫ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন।
এম জি