টাঙ্গাইলের মধুপুর পৌর শহরের সেগুনবাগান এলাকায় সাদিকুল ইসলাম (২০) নামে এক যুবক গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। বুধবার সকালে এই ঘটনা ঘটে। পরে তাঁকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত সাদিকুল ইসলাম মধুপুরের বিল্লাল ড্রাইভারের ছেলে। তাঁরা পৌর শহরের সেগুনবাগান এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সকালে সাদিকুল নাস্তা শেষ করে নিজের রুমে যান। পরিবারের সদস্যরা তখন প্রতিদিনের মতো গৃহস্থালি কাজে ব্যস্ত ছিলেন। এই সুযোগে সাদিকুল নিজের রুমের দরজা বন্ধ করে ফ্যানের সাথে ওড়না পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস দেন। বাসার পাশেই যাতায়াতের রাস্তা থাকায় পথচারীরা জানালা দিয়ে তাঁকে ফ্যানের সাথে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান।
তাঁদের চিৎকারে পরিবারের লোকজন এগিয়ে আসেন এবং ঘরের জানালা দিয়ে বাঁশের মাথায় দা বেঁধে ঝুলন্ত ওড়নাটি কেটে দেন। পরবর্তীতে প্রতিবেশীদের সহায়তায় দরজার লক ভেঙে ঘরের ভেতরে প্রবেশ করে তাঁকে উদ্ধার করা হয়।
খবর পেয়ে মধুপুর ফায়ার সার্ভিসের সহকারী স্টেশন অফিসার লাভলু তরফদার তাঁর দল নিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান। ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি দিয়ে সাদিকুলকে মধুপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
ফায়ার সার্ভিসের সহকারী স্টেশন অফিসার লাভলু তরফদার জানান, খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে অচেতন অবস্থায় সাদিকুলকে উদ্ধার করে আমাদের গাড়িতে করে হাসপাতালে নিয়ে যাই। তবে হাসপাতালে পৌঁছানোর পর ডাক্তার তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
মধুপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম ফজলুল হক জানান, ঘটনাটি জানতে পেরেছি। মরদেহটি বর্তমানে হাসপাতালে রয়েছে। এই বিষয়ে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
জেএইচআর